advertisement

মালদ্বীপে আন্দোলন করলেই দেশে ফেরত, আতঙ্কে প্রবাসীরা

মালদ্বীপে আন্দোলন করলেই দেশে ফেরত, আতঙ্কে প্রবাসীরা
ফটো কার্ড প্রিন্ট

মালদ্বীপের একটি রিসোর্টে বেতন, কর্মঘণ্টা, ওভারটাইম ও চিকিৎসাসুবিধা নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষের জেরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকসহ...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ডাবলিন বিমানবন্দরে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ সাঙ্গাকারার ডাবলিন বিমানবন্দরে বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ সাঙ্গাকারার চবির হীরকজয়ন্তী ১৮ নভেম্বর চবির হীরকজয়ন্তী ১৮ নভেম্বর মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় হামলা, সংঘর্ষে নিহত ১ মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় হামলা, সংঘর্ষে নিহত ১ গ্রামে ছিল না কোনো খেলার মাঠ, টাকা তুলে নিজেরাই জমি কিনলো গ্রামবাসী গ্রামে ছিল না কোনো খেলার মাঠ, টাকা তুলে নিজেরাই জমি কিনলো গ্রামবাসী লন্ডনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ, দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ লন্ডনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ, দুই বাংলাদেশিকে খুঁজছে পুলিশ
advertisement

নারকেলগাছের মরা ডাল কেটেই চলছে তৈয়ব আলীর সংসার

নারকেলগাছের মরা ডাল কেটেই চলছে তৈয়ব আলীর সংসার
নারকেলগাছে উঠছেন গাছি তৈয়ব আলী। গত বৃহস্পতিবার সকালে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কলাদী এলাকায়

কৈশোরে শখের বশে গাছে উঠতেন। সেই নেশাই একসময় হয়ে ওঠে পেশা। ৫৫ বছর ধরে মানুষের নারকেলগাছের মরা ডালপালা কেটে পরিষ্কার করছেন গাছি তৈয়ব আলী (৭১)। স্থানীয়ভাবে এ কাজ ‘গাছ বাছাই করা’ নামে পরিচিত। এ পর্যন্ত প্রায় ২৭ হাজার গাছ বাছাই করেছেন তিনি। এই কাজের আয়েই চলছে তাঁর সংসার। তৈয়ব আলীর বাড়ি চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার দশপাড়া এলাকায়। প্রয়াত ওহাব আলী ও আমেনা বেগম দম্পতির একমাত্র সন্তান তিনি।

স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে পৈতৃক বাড়িতে থাকেন। মজুরির বিনিময়ে উপজেলার প্রায় সব গ্রামে ছোট-বড় নারকেলগাছ বাছাই করেন তিনি। পাশের মতলব উত্তর উপজেলাতেও যান এ কাজে। এলাকার মানুষের কাছে তাঁর কদর আছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলার কলাদী এলাকায় একজনের নারকেলগাছ বাছাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তৈয়ব আলী। সেখানেই প্রথম আলোর সঙ্গে কথা হয় তাঁর।তৈয়ব বলেন, ১৬ বছর বয়সে তিনি বাবাকে হারিয়েছেন।

পরে মা-ও মারা যান।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখেও কেন মেসি নিষিদ্ধ হচ্ছেন না

পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখেও কেন মেসি নিষিদ্ধ হচ্ছেন না
চলতি মৌসুমে এমএলএসে পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখেছেন লিওনেল মেসি

যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আগামী সোমবার ভোরে নিজেদের পরবর্তী ম্যাচে নিউ ইংল্যান্ড রেভোল্যুশনের মুখোমুখি হবে ইন্টার মায়ামি। চলতি মৌসুমে পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখায় এই ম্যাচে নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার কথা মায়ামি তারকা লিওনেল মেসির। কিন্তু সেটি হচ্ছে না। আইনের ভেতরে থেকেই ম্যাচটি খেলার সুযোগ পাচ্ছেন আর্জেন্টাইন এ কিংবদন্তি।

প্রশ্ন হলো কীভাবে?এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত মৌসুমে কোনো খেলোয়াড় পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখলে তাঁকে পরবর্তী ম্যাচে নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ২৫০ ডলার জরিমানা করা হয়। গত বুধবার সিনসিনাটির বিপক্ষে মায়ামির সর্বশেষ ম্যাচে (২–২ গোলে ড্র) ৪৪ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন মেসি। সেটা এমএলএসের এ মৌসুমে তাঁর পঞ্চম হলুদ কার্ড।

মায়ামি অধিনায়ক মেসি এর আগে অষ্টম, একাদশ, বিংশ, একত্রিশতম ও তেত্রিশতম ম্যাচ উইকেও কার্ড দেখেন।এমএলএসের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যদি, ‘হলুদ, লাল কার্ড বা অতিরিক্ত কোনো শাস্তি না পেয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ খেলেন, তবে তাঁর নামের পাশে জমা হওয়া হলুদ কার্ডের সংখ্যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি কমে যায়।’ লিগে এই ‘ভালো আচরণের প্রণোদনা’ নিয়মিত মৌসুমে সর্বোচ্চ তিনবার প্রযোজ্য হয়।পাঁচ নম্বর হলুদ কার্ডটি দেখার আগেই কার্ড না দেখে টানা পাঁচটির বেশি ম্যাচ খেলেছেন মেসি, যার ফলে তাঁর আগের হলুদ কার্ডটি মওকুফ হয়ে গেছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর
কে এম তাহসিফ সাউরি

শুভ সকাল। আজ ৩১ অক্টোবর, শনিবার। গতকাল শুক্রবার ছুটির দিনে প্রথম আলোর অনেক আলোচিত সংবাদ হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে।

তাই আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বলেছেন, ‘কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়, আমি পালিয়ে আসি’কে এম তাহসিফ সাউরিতাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় হেফাজতে নেওয়া তাঁর ‘বন্ধুস্থানীয় ছোট ভাই’ আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে বলেছেন, সেদিন তাঁরা ঘটনাস্থলে কথা বলছিলেন। এ সময় কিছু লোক ধাওয়া করে। তাহসিফ নদে ঝাঁপ দেন। আর তিনি পালিয়ে আসেন।

বিস্তারিত পড়ুন... ডেঙ্গু আক্রান্ত তিন বোনই হাসপাতালে ছিল, একজনের ফেরা হলো নামায়ের সঙ্গে তিন মেয়ে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন