ডিজিটাল যোগাযোগে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রযুক্তি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন’। এ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রেরকের যন্ত্র থেকে পাঠানো বার্তা সংকেতবদ্ধ অবস্থায় প্রাপকের যন্ত্রে পৌঁছায়। ফলে মাঝপথে তথ্য আদান-প্রদানের দায়িত্বে থাকা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানও সাধারণত বার্তার বিষয়বস্তু পড়তে পারে না।
হোয়াটসঅ্যাপের মতো বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপে ব্যবহারকারীদের কথোপকথনের গোপনীয়তা রক্ষায় এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন হলো তথ্য আদান-প্রদানের এমন একটি নিরাপত্তাপদ্ধতি, যেখানে প্রেরকের যন্ত্রেই বার্তাকে সংকেতবদ্ধ করা হয়। এরপর ইন্টারনেট বা অন্য কোনো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বার্তাটি প্রাপকের যন্ত্রে পাঠানো হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় বার্তাটি সংকেতবদ্ধ থাকে।
প্রাপকের যন্ত্রে পৌঁছানোর পর উপযুক্ত ডিক্রিপশন কি ব্যবহার করে বার্তাটিকে আবার পাঠযোগ্য করে তোলা হয়।এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায় ক্রিপ্টোগ্রাফি প্রযুক্তির সাহায্যে পাঠযোগ্য তথ্যকে দুর্বোধ্য সংকেতে রূপান্তর করা হয়।
সূত্র: প্রথম আলো

তিন মাসে বাংলাদেশের প্রায় দেড় কোটি ভিডিও মুছে ফেলেছে টিকটক
ডেটা সেন্টারে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র চালু করল গ্রামীণফোন
এআর, ভিআর, এমআর ও এক্সআরের মধ্যে পার্থক্য কী
ভুয়া এআই জরিমানার এসএমএস, কী করবেন
কম্পিউটার বাজারে প্রযুক্তিপণ্যের দামে কোনো পরিবর্তন নেই

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন