জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় দেখা গেছে, দেশীয় নাপিত খয়রা, জেব্রাফিশ ও ব্লু পাঞ্চাক্স মশার লার্ভা নিয়ন্ত্রণে বিদেশি গাপ্পির চেয়ে বেশি কার্যকর, এমনকি দূষিত পানিতেও। নাপিত খয়রা কিউলেক্স ও এডিসের ৯৩-৯৪% লার্ভা খেয়েছে, যা গাপ্পির (৫৬.৫-৬১.৫%) তুলনায় অনেক বেশি। অধ্যাপক কবিরুল বাশার এই কৌশল সারাদেশে প্রয়োগের সম্ভাবনার কথা বলেছেন।
ডেঙ্গুর উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে এটি কীটনাশকের বিকল্প হয়ে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার অংশ হতে পারে, তবে মাঠপর্যায়ে আরও পরীক্ষা জরুরি।
সূত্র: প্রথম আলো

যশোর বোর্ডে ৫৫ ভাগ শিক্ষার্থী পাস করেননি, কমেছে জিপিএ-৫
সন্ধ্যায় সারা দিনের খবর
২৮ বিশিষ্টজনের বিবৃতি: স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত ঠিক করে দিতে পারে না কে মুক্তিযোদ্ধ...
মিজুলায় হ্যালোউইন: হেমন্তের বৃষ্টি-কুয়াশায় ভূতের শহর আর হলুদ পাতায় উৎসবের রং
নভেম্বরে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে নাসার সুইফট টেলিস্কোপ

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন