advertisement

চিকিৎসার পর শুটিংয়ে ফিরে যেমন ছিলেন তানিয়া, রইল ১৫টি ছবি

চিকিৎসার পর শুটিংয়ে ফিরে যেমন ছিলেন তানিয়া, রইল ১৫টি ছবি
‘অংশীদার’ নাটকের শুটিংয়ে তানিয়া বৃষ্টি
ফটো কার্ড প্রিন্ট

৯ মাস পর শুটিংয়ে ফিরলেন অভিনয়শিল্পী তানিয়া বৃষ্টি। ২৬ অক্টোবর ঢাকার অদূরে এই শুটিং হয়। দুই দিনের শুটিংয়ে কেমন ছিলেন তানিয়া বৃষ্টি, ছবিতে দেখে নেওয়া যাকঅভিনয়ে ফেরার ব্যাপারে উদ্‌গ্রীব ছিলেন তানিয়া বৃষ্টি। অবশেষে তা পূরণ হয়েছে। ‘অংশীদার’ নাটকের মধ্য দিয়ে অসুস্থতাজনিত বিরতির পর শুটিংয়ে ফিরলেন এই অভিনয়শিল্পী।

শুটিংয়ে পরিচালক ইকসান রনির সঙ্গে মনিটরের সামনে বসা তানিয়া বৃষ্টিপরিচালক জানালেন, শুটিংয়ে তানিয়া বৃষ্টি বেশ আত্মবিশ্বাসী ও প্রাণবন্ত ছিলেন।

শুটিংয়ের এক ফাঁকে হাস্যোজ্জ্বল মুহূর্তে তানিয়া বৃষ্টি ‘অংশীদার’ নাটকের শুটিংয়ে বরেণ্য অভিনয়শিল্পী ডলি জহুরের সঙ্গে তানিয়া বৃষ্টি শুটিংয়ের ফাঁকে পরিচালক, ডলি জহুরসহ অন্য অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে স্ক্রিপ্ট নিয়ে মহড়ায় তানিয়া বৃষ্টিপরিচালক ইকসান রনি ডলি জহুর, তানিয়া বৃষ্টিসহ অন্য অভিনয়শিল্পীদের দৃশ্য বুঝিয়ে দিচ্ছিলেনশুটিংয়ের এক ফাঁকে পরিচালকের সঙ্গে তানিয়া বৃষ্টি ‘অংশীদার’ নাটকের একটি দৃশ্যে ডলি জহুর ও তানিয়া বৃষ্টিকে এভাবেই দেখা গেল‘অংশীদার’ নাটকের গল্পে উঠে এসেছে নারীর উত্তরাধিকার, পারিবারিক সম্পত্তিতে মেয়েদের অধিকার এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বিষয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

কৌতুক কৌতুক ভাবুক সম্রাট ভাবুক সম্রাট রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট! রিপলি’স বিলিভ ইট অর নট! ধূমপান, মদ্যপানের নেশা কাটিয়ে সুমন যেভাবে ফিটনেস আইকন ধূমপান, মদ্যপানের নেশা কাটিয়ে সুমন যেভাবে ফিটনেস আইকন সবজান্তা সমীপেষু সবজান্তা সমীপেষু
advertisement

আজিমপুরে হঠাৎ বাড়িওয়ালার নোটিশ, হন্যে হয়ে বাড়ি খুঁজছেন ছাত্রীরা

আজিমপুরে হঠাৎ বাড়িওয়ালার নোটিশ, হন্যে হয়ে বাড়ি খুঁজছেন ছাত্রীরা
সরকারি চাকরিজীবীদের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সাবলেট বা ভাড়াটেদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আসার পর একটি ভবন থেকে মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন এক ছাত্রী। আজ শনিবার সকালে। আজিমপুর সরকারি কলোনি, ঢাকা

‘হঠাৎ ২২ অক্টোবর বাড়িওয়ালা বাসা ছাড়তে নোটিশ দেন। কিন্তু তখন আমি দুর্গাপূজার ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ছিলাম। ২৬ তারিখ ঢাকায় ফিরে আর এক দিনও বাসায় থাকতে পারিনি। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি, যেদিন যেখানে পেরেছি, থেকেছি। বাড়িওয়ালার কড়া নির্দেশ, ৩১ তারিখের মধ্যে জিনিসপত্র নিয়ে বাসা ছাড়তে হবে।

তাঁরা আমাদের একবেলা খাবার খেতেও বলেননি।’রাজধানীর আজিমপুর সরকারি কলোনির একটি ভবনে সাবলেট থাকতেন ইডেন মহিলা কলেজের তৃতীয় বর্ষের এক নারী শিক্ষার্থী। আজ শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাঁকে একটি ভ্যানে আসবাব ও অন্যান্য জিনিসপত্র তুলতে দেখা যায়। প্রথম আলোর কাছে এভাবেই নিজের ভোগান্তির কথা জানান তিনি।ইডেনের এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘ডিসেম্বরেই আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেব, আমি জানি না।

এই ট্রমা কাটাতেই অন্তত এক মাস লাগবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ইউসিবির মোট ঋণের ৭২% টেকসই অর্থায়নে গেছে

ইউসিবির মোট ঋণের ৭২% টেকসই অর্থায়নে গেছে
সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট তথা টেকসই অর্থায়ন–সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চেয়ারম্যান শরীফ জহির, সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের করপোরেট কার্যালয়ে

সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট তথা টেকসই অর্থায়ন–সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) চেয়ারম্যান শরীফ জহির, সিইও মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা। সম্প্রতি ঢাকায় ব্যাংকের করপোরেট কার্যালয়েপরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব, সুশাসন এবং টেকসই অর্থায়নের চিত্র তুলে ধরে ২০২৫ সালের সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)।

ওয়েবভিত্তিক ইন্টারঅ্যাকটিভ সংস্করণসহ প্রকাশ করা হয়েছে ‘ট্রান্সফর্মিং ইনটেন্ট ইনটু প্ল্যানেটারি ইমপ্যাক্ট’ নামের এ প্রতিবেদন। এটি ইউসিবির তৃতীয় সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইউসিবি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়, ঢাকায় ব্যাংকের করপোরেট কার্যালয়ে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে ইউসিবির চেয়ারম্যান শরীফ জহির এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইউসিবি টেকসই অর্থায়নে ১৭ হাজার ৯২৭ কোটি ৯ লাখ টাকা বিতরণ করেছে, যা ব্যাংকের বিতরণ করা মোট ঋণ বিতরণের ৭২ দশমিক ২৯ শতাংশ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আপনার সিভি কে পড়ছে, মানুষ নাকি যন্ত্র

আপনার সিভি কে পড়ছে, মানুষ নাকি যন্ত্র
ছবিটি এআই দিয়ে আঁকা

নাসির (ছদ্মনাম) দুই মাসে ১২০টি চাকরিতে আবেদন করেছেন, অনলাইনে। সাড়া মিলেছে মাত্র দুটি, তা–ও প্রত্যাখ্যানের। রাত দুইটায় তিনি ভাবছেন, সমস্যাটা কি তাঁর যোগ্যতায় নাকি অন্য কোথাও?উত্তরটা হয়তো লুকিয়ে আছে প্রথম ধাপে। অনেক প্রতিষ্ঠানে আবেদনকারীর সিভি আগে পড়ে মানুষ নয়, আবেদন বাছাই সফটওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেন্ট ট্র্যাকিং সিস্টেম (এটিএস)।২০২৬ সালের একাধিক গবেষণা বলছে, এখানে ঝুঁকি আছে।

৫৫৪টি সিভি ও ৫৭১টি চাকরির বিবরণ নিয়ে এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, সিভির বাকি সব এক রেখে শুধু নাম বদলালেও এআই-এর সুপারিশ বদলে যায়। আরেক গবেষণায় ২ হাজার ২৪৫টি সিভি নিয়ে দেখা গেছে, এআই মডেলগুলো প্রায় সব সময় নিজেদের লেখা সংস্করণকেই বেছে নেয়।

আর মানুষ নিয়োগকারীরাও (হিউম্যান এমপ্লয়ার) প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে পক্ষপাতদুষ্ট সুপারিশ মেনে নিয়েছেন।চাকরিপ্রার্থী হিসেবে কী করবেন?: ১. সহজ, পরিচ্ছন্ন ফরম্যাটে সিভি লিখুন এবং বিজ্ঞপ্তির মূল শব্দগুলো নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন