advertisement

অন্য আসামিদের সঙ্গে জিয়াউলকে আনলে সবাই আক্রান্ত হতে পারেন—এই বুদ্ধি কোথায় পেলেন: প্রসিকিউশনকে প্রশ্ন ট্রাইব্যুনালের

অন্য আসামিদের সঙ্গে জিয়াউলকে আনলে সবাই আক্রান্ত হতে পারেন—এই বুদ্ধি কোথায় পেলেন: প্রসিকিউশনকে প্রশ্ন ট্রাইব্যুনালের
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
ফটো কার্ড প্রিন্ট

অন্য আসামিদের সঙ্গে একই গাড়িতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে আনা-নেওয়া করা হলে সেই গাড়ির সবাই আক্রান্ত হতে পারেন—এমন বুদ্ধি প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) কোথায় পেয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার একজন আসামি জিয়াউল আহসান।

ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ রোববার এই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানির দিন ধার্য ছিল।শাপলা চত্বরের এই মামলার মোট ৪১ আসামির মধ্যে জিয়াউল আহসানসহ ১১ জন গ্রেপ্তার আছেন। আজকের শুনানিতে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক ও জিয়াউল আহসান ছাড়া অন্য নয় আসামিকে হাজির করা হয়। শহীদুল হক অসুস্থ থাকায় তাঁকে আজ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়নি।

আর জিয়াউল আহসানকে না আনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান ট্রাইব্যুনাল।প্রশ্ন করে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘আমরা যদি একজন আসামিকে জেল থেকে নিয়ে আসি, তাহলে সেটা অ্যাবিউজ অব পাওয়ার (ক্ষমতার অপব্যবহার) হবে?’ তখন প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল আমিন বলেন, ‘আসামি যদি গড়িমসি করেন, বিচার ব্যাহত করতে চান?’জবাবে ট্রাইব্যুনাল বলেন, কোনো আসামি কি নিজের ইচ্ছায় আসতে চায়?

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

প্রথমবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ জন, সবাই অকৃতকার্য প্রথমবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ জন, সবাই অকৃতকার্য নগদের অবরুদ্ধ ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়াতে আবেদন, বিরোধিতা করবে দুদক নগদের অবরুদ্ধ ৭৮৬ কোটি টাকার শেয়ার ছাড়াতে আবেদন, বিরোধিতা করবে দুদক ক্যারিয়ার সচেতনতা নিয়ে জানলেন শিক্ষার্থীরা ক্যারিয়ার সচেতনতা নিয়ে জানলেন শিক্ষার্থীরা ঘর হারিয়েও গল্প বলা থামেনি তাঁদের ঘর হারিয়েও গল্প বলা থামেনি তাঁদের এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল
advertisement

বেসরকারি খাতের ৫৫% কর্মী এআই ব্যবহার করেন, মেটলাইফের জরিপ

বেসরকারি খাতের ৫৫% কর্মী এআই ব্যবহার করেন, মেটলাইফের জরিপ

দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্মক্ষেত্রে কর্মীদের মানসিক চাপ কমাতে বড় ভরসা হয়ে উঠছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। দেশের বেসরকারি খাতের প্রায় ৫৫ শতাংশ বা অর্ধেকের বেশি কর্মী বর্তমানে এআই ব্যবহার করছেন। আর যাঁরা এআই ব্যবহার করছেন, তাঁদের প্রায় সবাই এর সুফল নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক মতামত দিয়েছেন।

বহুজাতিক বিমা প্রতিষ্ঠান মেটলাইফ বাংলাদেশের করা সর্বশেষ ‘এমপ্লয়ি বেনিফিট ট্রেন্ডস স্টাডি (ইবিটিএস) ২০২৬’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। রোববার দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে মেটলাইফ বাংলাদেশের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই জরিপের তথ্য প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেটলাইফ বাংলাদেশের হেড অব মার্কেটিং অ্যান্ড প্রোডাক্ট নওফেল আনোয়ার, হেড অব কমিউনিকেশনস সাইফুর রহমান প্রমুখ।চলতি বছরের আগস্ট মাসে মেটলাইফের ইবিটিএস ২০২৬ জরিপটি করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

প্রথমবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ জন, সবাই অকৃতকার্য

প্রথমবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১৩ জন, সবাই অকৃতকার্য
দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ থেকে ২০২৬ সালের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছিলেন ১৩ শিক্ষার্থী। তবে তাঁদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটির ১৫ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও প্রথম ব্যাচের সব শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা নিয়ে এলাকায় আলোচনা চলছে। গত শনিবার উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ১৩ শিক্ষার্থীর সবাই এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।

তাঁদের মধ্যে ১২ জন ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স এবং একজন ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল অ্যান্ড কমিউনিকেশন ট্রেডের শিক্ষার্থী।কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে দেবীগঞ্জ উপজেলা শহরে দেবীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ

কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ
শাহরুখ খান

টেলিভিশনের অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু। এরপর সিনেমা, প্রযোজনা, ভিএফএক্স, ক্রিকেট, বিজ্ঞাপন ও নানা ব্যবসায় বিনিয়োগ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এভাবেই নিজের সাম্রাজ্য গড়েছেন শাহরুখ খান। হুরুন ইন্ডিয়ার ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি রুপি বা ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু কীভাবে একের পর এক পদক্ষেপে এই বিপুল সম্পদের মালিক হলেন বলিউডের বাদশাহ?

বলিউডে শাহরুখ খানের পরিচয় শুধু একজন অভিনেতা হিসেবে নয়। তিনি প্রযোজক, ব্যবসায়ী, ক্রিকেট দলের মালিক এবং বিনোদনশিল্পের একজন সফল উদ্যোক্তা। পর্দায় তাঁর অভিনয় যেমন দর্শককে মুগ্ধ করেছে, তেমনি পর্দার বাইরেও তাঁর ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত তৈরি করেছে আলাদা পরিচিতি। আজ তাঁর সম্পদের পরিমাণ হাজার কোটি রুপি ছাড়িয়েছে। অথচ এই যাত্রার শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ। ১৯৬৫ সালের ২ নভেম্বর দিল্লিতে জন্ম শাহরুখের।

বাবা মীর তাজ মোহাম্মদ খান ছিলেন ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী, মা লতিফ ফাতিমা ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন