বাংলাদেশের কর্মজীবী মানুষের একটি সাধারণ প্রবণতা হলো—নিজের অবস্থানকে ছোট করে দেখা আর পাশের মানুষটির অবস্থানকে অনেক উঁচুতে তুলে ধরা। নিজের জীবনের সীমাবদ্ধতাগুলো যতটা চোখে পড়ে, অন্যের জীবনের সংগ্রামগুলো ততটাই আড়ালে থেকে যায়।একদিন চায়ের দোকানে বসে আছি। সঙ্গে কয়েকজন বন্ধু, সিনিয়র ও জুনিয়র। আলোচনার বিষয়—কে কেমন আছে, কার জীবন কতটা ভালো!ব্যবসায়ী বন্ধু: তোরা চাকরি করিস, তোদের জীবনই ভালো। ব্যবসায় কত ঝুঁকি, কত অনিশ্চয়তা!
মন চায় সব বাদ দিয়ে চাকরি শুরু করি। তোদের সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা অফিস, মাস শেষে বেতন—বেশ শান্তি!বিসিএস ক্যাডার বন্ধু: কী যে বলেন ভাই! সরকারি চাকরি করি, কিন্তু মন খুলে সব বলা যায় না, ইচ্ছেমতো লেখা যায় না, ঘোরাঘুরিও সব সময় সম্ভব হয় না। চারপাশে কত বিধিনিষেধ! আপনারা কত স্বাধীনভাবে ঘুরে বেড়ান, ফেসবুকে ছবি দেন। আমার তো মনে হয়, আপনারাই ভালো আছেন!ব্যাংকার বন্ধু: ব্যাংকে কোনো শান্তি নেই রে!
সকালে ঢুকি, বের হতে হতে সন্ধ্যা।
সূত্র: প্রথম আলো

ঘর হারিয়েও গল্প বলা থামেনি তাঁদের
এক দিনের নোটিশে বাসাছাড়া, কাল সেমিস্টার ফাইনাল
সাফল্য ধরে রেখে এইচএসসিতেও জিপিএ–৫ পেলেন অদম্য মেধাবী সাদিয়া তাসনিম
অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে অব্যাহতি পাওয়া জামায়াত নেতার বাড়ি ভাঙচুর
অন্য আসামিদের সঙ্গে জিয়াউলকে আনলে সবাই আক্রান্ত হতে পারেন—এই বুদ্ধি কোথায় পেলেন: প্র...

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন