পল্লিকবি জসীমউদ্দীনের কালজয়ী কাব্যোপন্যাস ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’। এটি গ্রামবাংলার প্রকৃতি, লোকজ সংস্কৃতি, সামাজিক বাস্তবতা, মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য সাহিত্যিক উপস্থাপন। ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত কাব্যোপন্যাসটি পাঠককে এমন এক গ্রামীণ জনপদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়, যেখানে প্রকৃতি ও মানুষের জীবন একে অপরের পরিপূরক।বইটি গ্রামবাংলার প্রকৃতির জীবন্ত চিত্রায়ণ।
নদী, খাল, বিল, সবুজ মাঠ, ফসলের খেত, গাছপালা, পাখির ডাক, মেঠোপথ কিংবা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা—প্রতিটি বিষয় লেখক এমন মমতা ও নৈপুণ্যের সঙ্গে তুলে ধরেছেন, যেন পাঠক বইয়ের পৃষ্ঠা ছেড়ে বাস্তবেই কোনো গ্রামীণ জনপদে উপস্থিত হয়েছেন। প্রকৃতি এখানে নিছক সৌন্দর্যের উপাদান, মানুষের জীবন, অনুভূতি ও অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ।কাব্যোপন্যাসটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে সোজন ও দুলীকে ঘিরে।
ভিন্ন ধর্মীয় পরিচয়ের হয়েও তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে ভালোবাসার সম্পর্ক।
সূত্র: প্রথম আলো

একঝলক (০১ নভেম্বর ২০২৬)
ক্যারিয়ার যখন ব্যারিয়ার
খুলনায় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তাঁতী দলের নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
মানহীন বাল্বে সয়লাব বাজার, ঝুঁকিতে ব্যবহারকারীরা, করণীয় কী
নতুন ব্যবস্থায় প্রথম দিন কেমন চলল বাস

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন