উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় এক বিষয়ে ফেল করার আশঙ্কায় মনে হয়েছিল, এই অল্প বয়সেই বুঝি জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। মা–বাবার প্রত্যাশা, পরিবারের সম্মান আর প্রতিবেশীদের চোখে ছোট হয়ে যাওয়ার ভয় এমনভাবে চেপে বসেছিল যে জীবনের ছোট ছোট আনন্দও একসময় ম্লান হয়ে গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেদিন সত্যিই ফেল করেছিলাম। কিন্তু জীবন থেমে থাকেনি।
দুই দশক পর পেছনে ফিরে বুঝি, একটি পরীক্ষার ফল কখনোই মানুষের পুরো জীবনের মাপকাঠি হতে পারে না।২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই মাঝেমধ্যে পেটের ভেতরটা খামচে ধরত। আশঙ্কাটা অমূলক ছিল না।
উচ্চমাধ্যমিকে পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিলাম, আলিফ লায়লার মতো কোনো দৈত্য-দানবের সাহায্য ছাড়া এবার পাস করা সম্ভব নয়।দুই দশক আগে বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে পাবলিক পরীক্ষার ফল ছিল বিরাট এক বিষয়।
সূত্র: প্রথম আলো

গোবিপ্রবি বন্ধুসভার ভার্চ্যুয়াল পাঠচক্রে তুর্গেনেভের ‘মুমু’
মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে তিন মেট্রোস্টেশন কয়েক ঘণ্টা বন্ধ, চলাচলে বিঘ্ন
গ্রামবাসীর পাশে প্রধানমন্ত্রী, খেলার মাঠের জমি কিনতে সরকার দিচ্ছে সাড়ে ৪ কোটি টাকা
ঢাকায় আট অঞ্চলে চলবে আট রঙের ই-রিকশা, চালকদের লাইসেন্স আপাতত নয়
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ডে অফিসার পদে নিয়োগের সুযোগ

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন