advertisement

বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী ইয়াংজিতে কেন মাছ ধরা নিষিদ্ধ

বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী ইয়াংজিতে কেন মাছ ধরা নিষিদ্ধ
ঐতিহাসিক রেকর্ড অনুযায়ী অন্তত ১৩৫টি মাছের প্রজাতি নদী থেকে পুরোপুরি হারিয়ে গেছে
ফটো কার্ড প্রিন্ট

এশিয়ার দীর্ঘতম ও বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী ইয়াংজি। এটি তিব্বত মালভূমির তাঙ্গুলা পর্বতমালা থেকে শুরু হয়ে সাংহাইয়ের কাছে পূর্ব চীন সাগরের সঙ্গে মেশার আগে মধ্য ও পূর্ব চীনের প্রায় ৬ হাজার ৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে।কোটি কোটি মানুষকে পানি ও জীবিকা দেওয়ার পাশাপাশি এই নদী ছিল অনেক অদ্ভুত ও সুন্দর জলজ প্রাণীর আবাসস্থল।

এর মধ্যে রয়েছে বাইজি ডলফিন, বিশাল আকৃতির চায়নিজ প্যাডলফিশ, চায়নিজ জায়ান্ট স্যালামান্ডার, ইয়াংজি ফিনলেস পোর্পোইস এবং চায়নিজ সাকারের মতো অনন্য সব বন্য প্রাণী।তবে কয়েক দশক ধরে নদীর পরিবেশ নষ্ট হওয়ার কারণে এই প্রাণীগুলোর অনেকগুলোই আজ বিলুপ্ত, প্রায় বিলুপ্ত কিংবা বিলুপ্তির পথে।অতিরিক্ত মাছ ধরা, একের পর এক বাঁধ নির্মাণ, দূষণ, নদী খনন এবং নদীর আশপাশে জমি দখলের ফলে ১৯৫০ সাল থেকে ইয়াংজি নদীর জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে।

নদীতে মাছের পরিমাণ কমে যাওয়ায় কিছু অসাধু জেলে মাছ ধরার জন্য বিদ্যুৎ বা ইলেকট্রোফিশিং, বিষের মতো ধ্বংসাত্মক উপায় বেছে নেয়।২১ শতকের শুরুতে দেখা যায়, ২০ শতকের প্রথমার্ধের তুলনায় নদীতে মাছের উৎপাদন কমে মাত্র ২৫ ভাগে নেমে এসেছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

চীনা বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নজর ব্যাংকগুলোর, খুলছে চায়না ডেস্ক চীনা বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নজর ব্যাংকগুলোর, খুলছে চায়না ডেস্ক ইংরেজ কর্মচারীর স্ত্রীর নামে বাজার, এখন দেশের অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র ইংরেজ কর্মচারীর স্ত্রীর নামে বাজার, এখন দেশের অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র ইসলামি আইনে ঘুষ খাওয়ার শাস্তি কী ইসলামি আইনে ঘুষ খাওয়ার শাস্তি কী নোয়াখালী বন্ধুসভার উদ্যোগে ‘বন্ধু পাঠাগার’ স্থাপন নোয়াখালী বন্ধুসভার উদ্যোগে ‘বন্ধু পাঠাগার’ স্থাপন সরকারি পদক্ষেপের পরিধি বাড়াতে হবে সরকারি পদক্ষেপের পরিধি বাড়াতে হবে
advertisement

রসচিঠি

রসচিঠি

ডাকচাঁদ দখলডাব সমাচারবন্ধু ফার্মেসিরসচিঠিঅজুহাতের কামব্যাকLieসেন্সচাঁদা নিয়ে বিখ্যাত কবি–সাহিত্যিকেরা যা লিখতেনরস+আলো নোবেল ২০২৬কোথায় কোথায় কালি মাখানো যায়?এলাকার ট্যালেন্টেড বড় ভাই রবীন্দ্রনাথস্মার্টফোনের অবসর চেয়ে আবেদনবিবাহিত পুরুষ চেনার সহজ উপায়দুটি কলেজের সংঘর্ষ বন্ধ করার বিভিন্ন পদ্ধতি

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

চীনা বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নজর ব্যাংকগুলোর, খুলছে চায়না ডেস্ক

চীনা বিনিয়োগ ও বাণিজ্যে নজর ব্যাংকগুলোর, খুলছে চায়না ডেস্ক
বাংলাদেশ ও চীনের পতাকা

বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে বড় অংশীদার চীন। দেশের বৃহৎ অনেক অবকাঠামো প্রকল্পও নির্মাণ করছে সে দেশের কোম্পানিগুলো। ফলে দেশে চীনের নাগরিকদের উপস্থিতি বেড়েছে। এ জন্য তাঁদের বিশেষায়িত সেবা দিতে চায় ব্যাংকগুলো। ইতিমধ্যে দেশি-বিদেশি ১৪টি ব্যাংক পৃথক ‘চায়না ডেস্ক’ চালু করেছে। কোনো কোনো ব্যাংক চীনে প্রতিনিধি অফিসও খুলেছে।

চায়না ডেস্কে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো চীনের মান্দারিন ভাষা জানা ব্যক্তিদের পাশাপাশি চীনের নাগরিকদের প্রাধান্য দিচ্ছে। চায়না ডেস্কে লেনদেন হয় চীনা মুদ্রায়। মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের হিসাব খোলা, প্রকল্প অর্থায়ন, গ্যারান্টি সুবিধা, মাশুল জমাসহ নানা ধরনের ব্যাংকিং সেবা দিয়ে চীনা বিনিয়োগে গতি আনতে ভূমিকা রাখছে ব্যাংকগুলো। জানা গেছে, সর্বশেষ চায়না ডেস্ক চালু করেছে ওয়ান ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংক।

এর আগে ১২টি ব্যাংক এ সেবা চালু করে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ইংরেজ কর্মচারীর স্ত্রীর নামে বাজার, এখন দেশের অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র

ইংরেজ কর্মচারীর স্ত্রীর নামে বাজার, এখন দেশের অন্যতম বাণিজ্য কেন্দ্র
সকাল থেকে বেচাকেনা জমে ওঠে দেশের ভোগ্যপণ্যের বড় এই বাজারে। সম্প্রতি তোলা

১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল। বিকেল তখন প্রায় পাঁচটা। হঠাৎ কেঁপে উঠল চট্টগ্রাম। প্রায় চার মিনিট স্থায়ী সেই ভূমিকম্পের সময় কামানের গর্জনের মতো ১৫টি বিকট শব্দ শোনা গিয়েছিল। ভূমিকম্পের তীব্রতায় শুধু ঘরবাড়িই ধ্বংস হয়নি, বদলে গিয়েছিল ভূখণ্ডের চেহারাও। কোথাও ভূমি উঁচু হয়ে গিয়েছিল, কোথাও আবার ধসে পড়েছিল।

সেই ভয়াবহ ভূমিকম্পের বিবরণ লিখে তৎকালীন ইসলামাবাদে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কার্যক্রমের প্রধান হ্যারি ভেরেলস্ট পাঠিয়েছিলেন ফোর্ট উইলিয়ামের প্রেসিডেন্ট ও গভর্নর হেনরি ভ্যানসিটার্টের কাছে। ফারসি থেকে অনূদিত ওই বিবরণ ১৭৬৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফিলোসফিক্যাল ট্রানজেকশনস অব দ্য রয়্যাল সোসাইটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়। জার্নালটির ৫৩তম খণ্ডের ২৬৫ থেকে ২৬৯ পৃষ্ঠায় রয়েছে সেই বিবরণ। ভূমিকম্পটির প্রভাব পড়েছিল চট্টগ্রামের ভূপ্রকৃতিতে।

বদলে গিয়েছিল কর্ণফুলী নদীর গতিপথ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন