শীতের ভোরে দক্ষিণাঞ্চলের কোনো ঘেরে জাল ফেললে সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে পারশে। বৈজ্ঞানিক নাম চেলন সাবভিরিডিস (Chelon subviridis)। আগে ডাকা হতো লাইজা পারসিয়া (Liza parsia) নামে। সম্প্রতি এর গণ পাল্টেছে। মুজিলিডি পরিবারের এই মাছটা সরু, চকচকে, পিঠ কালচে ও পেটের দিকটা রুপালি। চোখজোড়া শরীরের তুলনায় একটু বড়, সবসময় যেন সজাগ কিছু একটা খুঁজছে।
দক্ষিণের খাল-বিল, প্যারাবন, অগভীর নোনা জলাশয়—এসব জায়গাতেই এদের আসল সংসার।মাছচাষিদের মুখে একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়। পারশে চাষে ঝুঁকি কম। বাগদা চিংড়ির দাম আর রোগবালাই নিয়ে যেখানে রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায় চাষিদের, পারশে সেখানে অনেকটা নিশ্চিন্তে বেড়ে ওঠে। পোনা মজুদ করার চার-পাঁচ মাসের মাথায় একেকটা মাছ পৌঁছে যায় ১৫০ থেকে ২০০ গ্রামে। বাজারে চাহিদা ভালো, দামও চড়া।
কিন্তু এই লাভের অঙ্কের পেছনে কাজ করে একটা জৈবিক জেদ, যেটা বোঝা দরকার।পারশের প্রজনন-স্বভাব একটু অন্যরকম।
সূত্র: প্রথম আলো

জাপানে মোট বিচ্ছেদ কমলেও বাড়ছে সিলভার ডিভোর্স, কয়েক দশক সংসার করে অর্ধেক পেনশন পেয়ে...
কপ ৩১: জলবায়ু প্রতিশ্রুতির আরেকটি স্তর, নাকি বাস্তবায়নের নতুন অধ্যায়
কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা কবে, নিন জেনে
২৮ বছরে ৩১ হাজার মাইল হেঁটে মায়ের বাড়িতে ফিরলেন কার্ল বুশবি
পেনশনের টাকায় বাড়ির আঙিনায় শিশুদের জন্য বিনোদনকেন্দ্র

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন