ঘুমাতে ভীষণ ভালোবাসে মিমি। প্রকৃতই সে ঘুমটাকে উপভোগ করতে পারে। সারাটা সপ্তাহ সকাল থেকে রাত অব্দি অফিসের কাজের বড্ড চাপ শেষে শুক্রবারের এই ঘুম মিমির কাছে অমৃতের মতো লাগে। এদিন সে নিজেকে ডুবিয়ে রাখে গভীর ঘুম, স্বপ্ন ও তন্দ্রায়। অথচ সপ্তাহের অন্যান্য দিনে মিমিকে ঘুম থেকে উঠতে হয় সকাল ৭টা থেকে সাড়ে ৭টার মধ্যে। চোখেমুখে পানি ছিটিয়ে জামা পাল্টে নিজেকে প্রস্তুত করতেই বেজে যায় ৮টা। ঠিক ৮টায় ঘর থেকে বের হয় সে।
কারণ, অফিসে পৌঁছাতে হয় পৌনে ৯টায়। একটা ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে প্রায় ৯ বছর ধরে চাকরি করছে মিমি। ভালো বেতন পায়। বনশ্রীতে ছোট একটা ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে এখন একা থাকে। প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার সময় ঘরের তালা লাগাতে গিয়ে মনে দারুণ পুলক বোধ করে মিমি। তার কেবলই মনে হতে থাকে, আহা! নিজের ঘর, এই ঘর সম্পূর্ণ তার নিজের, সম্পূর্ণ তার একার! তারপরই সে ঝাঁপিয়ে পড়ে গমগমে ঢাকা শহরের উন্মত্ত অফিসগামী মানুষের ঘূর্ণিপাকে। এ শহরে পদে পদে বিপদ।
অত্যন্ত সচেতন হয়ে চলতে হয় মিমিকে।
সূত্র: প্রথম আলো

বিন্দুর আবর্তে
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটে ইন্টার্নশিপ, ভাতা মাসে ১০ হাজার টাকা
এইচএসসির ফল : শিক্ষক-শিক্ষার্থী আছে, পাস শূন্য
চট্টগ্রামে উন্নয়ন বরাদ্দের সুষ্ঠু ব্যবহার হোক
৬৭ হাজার টাকা নিয়ে শহরে এসেছিলেন, এখন ২০ কোটি টাকার মালিক

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন