আমরা যারা মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে জন্ম, বাবা–মায়ের মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনে বড় হয়েছি, কিছুটা বাস্তব সত্য ইতিহাসের হাত ধরে কিছুটা কল্পনার এবং অনুমানের মাধ্যমে আমাদের মধ্যেও মুক্তিযুদ্ধ বিরাজ করে।
কিন্তু আমাদের বাবা–মায়েরা সেই চরম পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ফিরেছিলেন।বরেণ্য কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের কাহিনি অবলম্বনে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন কিংবদন্তি পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম। চাষী নজরুল আনন্দস্বরূপ। নিপুণ বুদ্ধিদীপ্ত গাঢ় রসের আনন্দ, দেশীয় ঐতিহ্যের মননশীল সাংস্কৃতিক চেতনা ও চিন্তাচর্চার মাধ্যমে জ্ঞান লাভ করব বলে ওনার চলচ্চিত্র দেখতে বসি।লেখক ও পরিচালক দুজনই মুক্তিযুদ্ধকে সামনে থেকে দেখেছেন।
তাই উপন্যাসের আকারে একটি বৃহত্তর কাহিনি হলেও এবং সেই কাহিনির অনবদ্য চলচ্চিত্রায়ণ হলেও এই চলচ্চিত্রকে মুক্তিযুদ্ধের এবং পরবর্তী স্বাধীন দেশের বাস্তব দলিল হিসেবে বেছে নেওয়া যেতে পারে।
সূত্র: প্রথম আলো

মাদ্রাসায় শিশুসুরক্ষা: অস্বীকার ও দোষারোপের বৃত্ত ভেঙে সমাধানের পথে
‘ফোনের আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম, ফিরে পাওয়ার খুশি বলে বোঝাতে পারব না’
হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’তে আজ ফিরছে ২৩ বছর আগের গান
অলিম্পিয়াডে সোনার পদক এবং ৬০ শতাংশের অঙ্ক
স্কুলের ভর্তি তথ্য: আদমজী ক্যান্টনমেন্ট ও ঢাকা বিএএফ শাহীন কলেজ

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন