advertisement

ইসরায়েলে আরব দলগুলো এবার রেকর্ড আসন জিততে পারে

ইসরায়েলে আরব দলগুলো এবার রেকর্ড আসন জিততে পারে
একটি নির্বাচনী প্রচারের সমাবেশে রাআম দলের প্রধান মনসুর আব্বাস
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ইসরায়েলে গতকাল মঙ্গলবার ভোটের পর বুথফেরত জরিপে দেশটির আরব দলগুলোর ১৯টি আসনে জয়ী হতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। এবার ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত ইসরায়েলিদের ভোট দেওয়ার হার কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। বুথফেরত জরিপের তথ্য বলছে, আরবদের নেতৃত্বাধীন প্রধান দল ‘জয়েন্ট লিস্ট’ এবং ‘রাআম’ বা ইউনাইটেড আরব লিস্ট এসব আসন জিততে পারে।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ গতকাল জানিয়েছে, বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি ইসরায়েলি নাগরিকদের মধ্যে এবার ভোট দেওয়ার হার প্রায় ৮০ শতাংশ—যা ১৯৯৯ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।ইসরায়েলে সরকার গড়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না কেউ, এখন কী হবে, প্রধানমন্ত্রী কে হবেনরাআম বা ইউনাইটেড আরব লিস্টের নেতা মনসুর আব্বাস বলেন, তিনি আশা করছেন, চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফলে তাঁর দলসহ নেতানিয়াহুবিরোধী জোট সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন পাবে।আব্বাসের দল রাআম বর্তমানে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে পাঁচটি আসন ধরে রেখেছে।

২০২১ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েলে যে জোট সরকার ক্ষমতায় ছিল, তাঁর দল সেই জোটেও যোগ দিয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু ক্ষমতা হারানোর ভয়েই কি আরব দলগুলোর ওপর আক্রমণ বাড়িয়েছেন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে ইসরায়েলের নির্বাচনে বাইরের হস্তক্ষেপের তদন্ত হচ্ছে ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় দাবি ও অন্যান্য খবর ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর পরাজয় দাবি ও অন্যান্য খবর নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের আহ্বান মার্কিন ইহুদিদের নেতানিয়াহুকে হটাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে জোটের আহ্বান মার্কিন ইহুদিদের নেতানিয়াহুর জোট ছেড়ে বিরোধী জোটে যেতে আগ্রহী ইউটিজে নেতানিয়াহুর জোট ছেড়ে বিরোধী জোটে যেতে আগ্রহী ইউটিজে
advertisement

টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত

টুথপেস্ট আবিষ্কারের আগে মানুষ যেসব বিচিত্র জিনিস দিয়ে দাঁত পরিষ্কার করত

তুমি কি কখনো লবণ, গোলমরিচ, নিমের ডাল বা পোড়া ছাই দিয়ে দাঁত মেজেছ? টিউবের টুথপেস্ট ব্যবহার করতে অভ্যস্ত হলে এই কথাগুলো শুনলে অদ্ভুত বা অস্বস্তিকর মনে হতে পারে। তবে শত শত বছর ধরে মানুষ মুখ পরিষ্কার রাখতে এ ধরনের পদ্ধতিই ব্যবহার করে এসেছে।

আর সেগুলোর কাজ আজকের দোকান থেকে কিনে আনা টুথপেস্টের চেয়ে খুব একটা আলাদা ছিল না।পুরোনো দিনের টুথপেস্টে লবণ বা ছাইয়ের মতো খসখসে বা ঘর্ষণকারী উপাদান থাকত, যা ঘষে দাঁতের ময়লা দূর করতে সাহায্য করত। বর্তমানের বাজারে পাওয়া টুথপেস্টেও এমন উপাদান থাকে। তবে আধুনিক টুথপেস্টে ডিমের খোসা গুঁড়া বা পিউমিস পাথরের মতো ক্ষতিকর উপাদানের বদলে হাইড্রেটেড সিলিকার মতো উপাদান ব্যবহার করা হয়, যা দাঁতের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ।

তবে টুথব্রাশের ইতিহাস জানার আগে জানা দরকার টুথপেস্ট কীভাবে কাজ করে।চিনি যদি দাঁতের জন্য খারাপ হয়, তাহলে টুথপেস্ট মিষ্টি কেনটুথপেস্ট কীভাবে কাজ করে?টুথপেস্ট মুখ সতেজ ও পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব

মানুষ কি মাংস খাওয়ার জন্যই তৈরি, নাকি নিরামিষেই সুস্থ থাকা সম্ভব
মানুষ আসলে সর্বভূক

মানুষ কি প্রকৃতিগতভাবে নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। বিজ্ঞান কী বলে, আর সুস্থ থাকতে আমাদের প্রতিদিনের খাবারের প্লেটে কী থাকা উচিত?আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক হয়, তার মধ্যে একটি হলো মানুষ কি নিরামিষাশী, নাকি মাংসাশী? এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নানা ধরনের খাদ্যাভ্যাস ও চিকিৎসাভিত্তিক জীবনযাপন নিয়ে আলোচনা। কেউ বলেন, প্রাণিজ আমিষ বা মাছ-মাংস খাওয়া উচিত নয়।

আবার কেউ উৎসাহ দেন প্রচুর মাংস ও চর্বি খেতে। এসব মতামত সামনে এলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। কেউ অসুস্থ হলে তো কথাই নেই—একজন রোগীকে ঘিরে সবাই যেন চিকিৎসক হয়ে ওঠেন। আমাদের সামাজিক আচরণের এ প্রবণতা পরিচিত।কিন্তু মানুষ আসলে কী ধরনের খাদ্য গ্রহণের উপযোগী? বিজ্ঞানের উত্তর স্পষ্ট: মানুষ সর্বভুক। অর্থাৎ মানুষের শরীর উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ—উভয় উৎসের খাবার থেকেই পুষ্টি গ্রহণ করতে সক্ষম।

তবে সর্বভুক হওয়ার অর্থ এই নয় যে প্রচুর মাংস খেতেই হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কাকফাঁকা এক সকালে!

কাকফাঁকা এক সকালে!

অবাক কাণ্ড! ঘুম ভাঙার পর থেকে এ পর্যন্ত একবারও কারেন্ট রেস্ট নিতে যায়নি। হচ্ছেটা কী? তারে এত কারেন্ট! নাকি নিজের মাথার তার ছিঁড়ে গেছে? পাগল হয়ে যাচ্ছেন না তো? আয়হায়, এই টানাটানির সংসারে পাগল হয়ে গেলে তাকে পালবে কে?সাতসকালে কা–কা! এটা কি ঢাকা?মকবুল সাহেব চোখ বন্ধ করে বোঝার চেষ্টা করলেন। ঢাকা শহরে এখন তো আর কাকডাকা ভোর নেই। এখন সকাল হয় মুঠোফোনের প্যাঁ–পোঁ শব্দে। তবে কি ভুল শুনলেন?

আধবোজা চোখে জানালার পর্দা সরিয়ে দেখলেন, ৫/৬টা কাক কারেন্টের তারে বসে মিটিং করছে। মাঝেমধ্যে ঘাড় ঘুরিয়ে কা–কা করে গুডমর্নিং অ্যালার্মও দিচ্ছে।মনকাড়া এ দৃশ্য উপভোগের পর মুখ ধুতে বাথরুমে ঢুকলেন মকবুল। মুখ ধোয়ার পর মনে হলো, আরে, বেসিনের কলে পানি এল কী করে? এখন তো বালতির জমানো পানি দিয়েই সব কাজ সারতে হয়। তবে?কাকডাকা সকালে কাকস্নানের হাত থেকে মুক্তি পেয়ে ভাবাভাবিতে সময় নষ্ট করলেন না মকবুল।

ছাড়লেন শাওয়ার, কাটিয়ে দিলেন হাফ অ্যান আওয়ার।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন