রাঙামাটি শহরের রাঙাপানি গ্রামে শুরু হয়েছে শীতকালীন শাকসবজি চাষের ধুম। আর এই পুরো কর্মযজ্ঞের মূল কারিগর স্থানীয় পাহাড়ি নারীরা। জমি প্রস্তুত করা, বীজ বোনা, চারা পরিচর্যা ও আগাছা পরিষ্কারে এখন ব্যস্ত সময় কাটছে তাঁদের। জমিতে মিশ্র–পদ্ধতিতে চাষ হচ্ছে লালশাক, শর্ষেশাক, মুলা, বেগুন, টমেটো, শিম, কুমড়া, ধনেপাতা ও ভুট্টা। খেতের উর্বরতা বাড়াতে গোবর, খড় ও শুকনা পাতা পচিয়ে নারীরা নিজেরাই তৈরি করছেন জৈব সার।
অন্যদিকে পাখি ও ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ থেকে ফসল বাঁচাতে খেতজুড়ে টাঙানো হয়েছে জাল ও পলিথিন।
নিজেদের পরিবারের পুষ্টির চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিষমুক্ত এসব তাজা সবজি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে সংসারে বাড়তি আয়ও আনছেন এই পরিশ্রমী নারীরা।কুয়াশাঘেরা সকালে বিক্রির উদ্দেশ্যে খেত থেকে তাজা শাক তুলছেন এক পাহাড়ি নারীসারি সারি ভুট্টার চারার পরিচর্যা করছেন এক কৃষাণি; পেছনে পাখির উপদ্রব ঠেকাতে বাতাসে উড়ছে সাদা পলিথিন শিশিরভেজা টমেটোর কচি চারা; সবুজ পাতার গায়ে স্পষ্ট পোকার আক্রমণের ক্ষতচিহ্নখেতের পাশে ফুটে থাকা মেস্তা ফুল; দুধসাদা পাপড়ির মধে৵ গাঢ় লালের আভা, সঙ্গে উঁকি দিচ্ছে কচি মুকুলভোরের নরম রোদে চিকচিক করছে লালশাকের বেগুনি-লাল পাতাশীতের ভোরে মাটির বুক চিরে আলোর মুখ দেখছে শিমের কচি পাতাবিষমুক্ত ফলনের আশায় গোবর, খড় ও শুকনা পাতার মিশ্রণে জৈব সার তৈরি করছেন এক নারীস্নিগ্ধ সকালে বেগুনের কচি কুঁড়ি আর পাতার ডগায় ম...
সূত্র: প্রথম আলো

বিন্দুর আবর্তে
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউটে ইন্টার্নশিপ, ভাতা মাসে ১০ হাজার টাকা
এইচএসসির ফল : শিক্ষক-শিক্ষার্থী আছে, পাস শূন্য
চট্টগ্রামে উন্নয়ন বরাদ্দের সুষ্ঠু ব্যবহার হোক
৬৭ হাজার টাকা নিয়ে শহরে এসেছিলেন, এখন ২০ কোটি টাকার মালিক

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন