হেমন্তের এক দুপুরে চোখ আটকে গেল একগুচ্ছ ফুলে। ফুলগুলোর রং কমলা ও হলুদের মিশেল। মনে হলো, সূর্যের আলো যেন ফুলের পাপড়িতে এসে আশ্রয় নিয়েছে। থোকায় থোকায় ফোটা ফুলগুলো এমনভাবে সাজানো, যেন আলোর রং মেখে পুষ্পগুচ্ছ দিয়ে ধরিত্রীকে অঞ্জলি নিবেদন করছে।আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার ও আর্কাইভ ভবনের চত্বরে বেশ কিছু ফুল ও বাহারি গাছ আছে। সেগুলোর মধ্যে অনুচ্চ, ঝোপালো এই গাছ আলাদা করে নজর কাড়ে।
হেমন্তের রোদে তার ফুলের সৌন্দর্য আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। ঋতু বদলালেও তার শোভা আরও কিছুদিন ধরে প্রকৃতিকে রাঙিয়ে রাখবে।এ গাছের এক সহোদরাকে আমরা প্রায় সবাই চিনি। নাম চন্দ্রপ্রভা বা সোনাপাতি। এ ফুলের রং স্বর্ণাভ হলুদ, যেন পূর্ণিমার চাঁদের আলো ছড়িয়ে আছে পাপড়িতে। আর তারই আরেক সহোদরার ফুলের রং কমলা। গাছটি সম্প্রতি বাংলাদেশে এসেছে। এ কারণে এখনো এর কোনো বাংলা নামকরণ হয়নি।
ইংরেজিতে এর নাম অরেঞ্জ বেল বা অরেঞ্জ ট্রাম্পেট ফ্লাওয়ার।
সূত্র: প্রথম আলো

অভিভাবক এবং শিক্ষকদের মধ্যে একটি সুন্দর সমন্বয় থাকতে হবে
বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত
হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেন আখতারুজ্জামান
তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছিলেন সামিন, এখন কোথায় চাকরি করেন
বায়ুদূষণে ত্বক ও চুলের ক্ষতি: ব্রণ, অকালবার্ধক্য থেকে চুল পড়া, সুরক্ষায় মানুন ১০টি প...

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন