তিন দশকের রাজত্ব, আজও অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলিউড বাদশা শাহরুখ খান
সূত্র: প্রথম আলো
তিন দশকের রাজত্ব, আজও অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলিউড বাদশা শাহরুখ খান
সূত্র: প্রথম আলো
‘অভিজ্ঞতা ছাড়া চাকরি হবে না, কিন্তু চাকরি না করলে অভিজ্ঞতা হবে কীভাবে?’ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এটি পরিচিত এক প্যারাডক্স। বিশেষ করে বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতার চাহিদা থাকে। তবে অভিজ্ঞতা ছাড়াও প্রারম্ভিক পর্যায়ের চাকরি পাওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব অভিজ্ঞতা সঠিকভাবে সিভিতে তুলে ধরতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় করা গবেষণা, জরিপ ও মাঠকাজ, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা চাকরির আবেদনে কাজে লাগতে পারে। এ ছাড়া ক্লাবের কার্যক্রম ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের অভিজ্ঞতাও নিয়োগদাতাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।কোর্সের কাজও হতে পারে অভিজ্ঞতার প্রমাণবিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে লেখা গবেষণাপত্র বা টার্ম পেপার সিভিতে যুক্ত করা যায়।
তবে সব অ্যাসাইনমেন্টের তালিকা না দিয়ে চাকরির সঙ্গে সম্পর্কিত উল্লেখযোগ্য কাজগুলো বেছে নেওয়া ভালো।যেমন একজন শিক্ষার্থী শ্রমবাজার, সামাজিক বৈষম্য বা জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করতে পারেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নিউজিল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসা নীতিতে চারটি পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়মে মাস্টার্স পর্যায়ে গবেষণারত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষার দক্ষতা, ভিসার আবেদনপ্রক্রিয়া এবং কোর্স শেষ হওয়ার পর ভিসার মেয়াদেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
ইমিগ্রেশন নিউজিল্যান্ডের (আইএনজেড) নতুন নিয়ম অনুযায়ী, মাস্টার্স বাই রিসার্চের শিক্ষার্থীরা এখন থেকে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২৫ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। ছুটির সময়ে পূর্ণকালীন কাজ করার সুযোগ থাকবে।
আগে এ ধরনের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি কাজের ক্ষেত্রে সীমাহীন সুযোগ ছিল।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্সভিসা প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন—নতুন নিয়মে ভিসার শর্ত পূরণে শিক্ষার্থীর ইংরেজি ভাষার দক্ষতাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
ক্ষুধার তীব্রতা—তোমার ঘর গেরস্থালি জানালা ও জলেদের বাহারি আহারের! জেলেদের মতো বুকের জালে মাছেদের মতো কত দিন তুলে নাও না, কত দিন শীতের রাতের পাখি হয়ে গা ঘেষো না। কতগুলো চাঁদ ক্ষয়ে রাত গেল দিনের ভোগে কেবল আমাদের সময়ের সময় ভাগে হলো না! ক্ষুধারা দিন দিন বেড়ে চলছে.. বেড়ে চলছে জুতোর গ্লানির মতো পায়ের প্রতিধ্বনি... তবু পা ও জুতো আলাদা হয় না! আলাদা হয় না চুম্বন ও চুম্বক আলাদা হয় না থাল ও ভাতের মাখামাখি!
তেমনই তুমি–আমি দূর বনে আঁধারে ঝাউ পাতা দুলছি বাতাসের প্রহসনে, ঘড়ির অনশনে কাঁটার কটাক্ষে অপেক্ষার উপেক্ষাই!
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন