advertisement

জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?

জমির নিবন্ধনে ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ আর কতদিন, এতে কার লাভ?
ভূমি অফিসের নিবন্ধন বই
ফটো কার্ড প্রিন্ট

মান্ধাতা আজকের মানুষ নন। বহু আগের। পৌরাণিক কাহিনির অযোধ্যা নগরের রাজা। রামায়ণ রচনার বহু বছর পরও তারই নাম বলা হয়; বলা হয় ‘মান্ধাতার আমল’। এটা যেন চোখ বন্ধ রেখে অযথা পুরানোকে আঁকড়ে ধরার অদ্ভুত এক মানসিকতা। যুগ বদলে গেছে। বদলে গেছে মানুষের চাওয়া, পাওয়া, রুচি, বোধ, সংস্কৃতি। যা কিছু ভালো তা গ্রহণ করার প্রবহমান ধারাতেই এগিয়ে গেছে সভ্যতা।

কিন্তু উপজেলা পর্যায়ের সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয় যেন পুরানোকেই আষ্টেপৃষ্ঠে ধরে রেখেছে। এটা সেই ‘মান্ধাতা-প্রীতি’ কি না- উঠছে সেই প্রশ্ন।সরকারি দপ্তর থেকে এখন আর হাতে-লেখা কাগজ তেমন সরবরাহ করা হয় না। এমনকি গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষেরাও কোথাও সাধারণত হাতে-লেখা চিঠি বা আবেদন জমা দেন না। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে আপনি পাবেন হাতে-লেখা কাগজ।

দলিলের ‘নকল’ উঠাতে গেলে পাবেন এমন হাতের লেখা যা অনেক সময় ঠিকমতো পড়া যায় না।একসময় কার্বন পেপার দিয়ে একাধিক কপি করা হলেও এখন ক্ষেত্রবিশেষ ছাড়া সেটা কেউ ব্যবহার করেন না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

গাছের নামেই তেঁতুলতলা বাজার গাছের নামেই তেঁতুলতলা বাজার বাংলাদেশের আকাশে এক টুকরা কাঞ্চনজঙ্ঘা বাংলাদেশের আকাশে এক টুকরা কাঞ্চনজঙ্ঘা মাদারীপুরে ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে চারা গাছ তুলে দিল বন্ধুসভা মাদারীপুরে ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে চারা গাছ তুলে দিল বন্ধুসভা কুয়াশামাখা ভোরে কাপ্তাই হ্রদে মাছের ঘ্রাণ, ঘাটে ক্রেতার ভিড় কুয়াশামাখা ভোরে কাপ্তাই হ্রদে মাছের ঘ্রাণ, ঘাটে ক্রেতার ভিড় কক্সবাজারে ৫ কোটি টাকার শুঁটকি নিয়ে কেন বিপাকে বিক্রেতারা কক্সবাজারে ৫ কোটি টাকার শুঁটকি নিয়ে কেন বিপাকে বিক্রেতারা
advertisement

গাছের নামেই তেঁতুলতলা বাজার

গাছের নামেই তেঁতুলতলা বাজার
তেঁতুলগাছের নামেই বাজারটির নামকরণ করা হয়েছে। গত রোববার বিকেলে রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের তেঁতুলতলা বাজারে

দূর থেকেই চোখে পড়ে বাজারের ওপর ছড়িয়ে থাকা সবুজ গাছ। দোকানপাটের ফাঁক গলে চারদিকে ছড়িয়ে গেছে বিশাল এক তেঁতুলগাছের ডালপালা। কোনো ডাল ঢুকে পড়েছে দোকানের ভেতরে, কোনোটি ছুঁয়েছে ছাদ। রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের তেঁতুলতলা বাজারের পরিচয় জড়িয়ে আছে এই গাছের সঙ্গে। গাছটির বয়স কত, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেন না কেউ। স্থানীয় মানুষের ধারণা, গাছটির বয়স ১০০ বছরের বেশি।

এ ধারণার ভিত্তি পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে শোনা কথা। গাছটি ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যে নানা রকম ধারণাও প্রচলিত আছে।বাজারের দোকানপাটের দিকে তাকালেই তেঁতুলগাছটির সঙ্গে স্থানীয় জনবসতির সম্পর্ক বোঝা যায়। চা-দোকানি মো. মজদুলের দোকানের ভেতরেও ঢুকে পড়েছে গাছের একটি ডাল। ১৩-১৪ বছর ধরে তিনি সেখানে দোকান করছেন।স্থানীয় মানুষের ভাষ্য, গাছের নাম থেকেই বাজারের নাম হয়েছে তেঁতুলতলা। বাজারটির বয়স চার দশকের বেশি।

একসময় এখানে বসতি ও দোকান ছিল কম।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বাংলাদেশের আকাশে এক টুকরা কাঞ্চনজঙ্ঘা

বাংলাদেশের আকাশে এক টুকরা কাঞ্চনজঙ্ঘা

হেমন্তের এক ভোর। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মহানন্দা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছেন একদল মানুষ। নদীর ওপারে ভারতের ভূখণ্ড। চারপাশে তখনো সকালের কোমল আলো। হঠাৎ উত্তরের দূর আকাশে চোখ রাখতেই দেখা যায়, নীল দিগন্তের ওপর ভেসে উঠেছে সাদা কিছু পর্বতচূড়া। সূর্যের প্রথম আলো পড়তেই সেগুলো কখনো গোলাপি, কখনো সোনালি, আবার কখনো ঝকঝকে সাদা হয়ে উঠছে। দেখে মনে হতে পারে আকাশের গায়ে কেউ যেন বরফের পাহাড় এঁকে রেখেছে।

এই দৃশ্য দেখতেই প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমী ছুটে যান পঞ্চগড়ে। তাঁদের গন্তব্য তেঁতুলিয়া। উদ্দেশ্য একটাই—বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা। কিন্তু বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে এত দূরের পর্বত কীভাবে দেখা যায়? আমরা আসলে কাঞ্চনজঙ্ঘার কতটুকু দেখতে পাই? আর হিমালয় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা কি একই জিনিস?

এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে পর্বতটির ভৌগোলিক পরিচয়।অনেকেই তেঁতুলিয়ায় গিয়ে বলেন, তাঁরা হিমালয় দেখতে এসেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

তিন মাসে বাংলাদেশের প্রায় দেড় কোটি ভিডিও মুছে ফেলেছে টিকটক

তিন মাসে বাংলাদেশের প্রায় দেড় কোটি ভিডিও মুছে ফেলেছে টিকটক
নীতিমালা লঙ্ঘন করে প্রকাশ করা ভিডিও মুছে ফেলেছে টিকটক

নীতিমালা (কমিউনিটি গাইডলাইন) লঙ্ঘন করায় চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) বাংলাদেশ থেকে টিকটকে প্রকাশ করা (আপলোড) ১ কোটি ৪৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৫টি ভিডিও মুছে ফেলেছে টিকটক। মুছে ফেলা ভিডিওর সংখ্যা টিকটকে প্রকাশ করা মোট ভিডিওর প্রায় শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে টিকটক কর্তৃপক্ষ।টিকটকের প্রকাশিত সর্বশেষ ‘কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীরা অভিযোগ জানানোর আগেই টিকটক নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে নীতিমালা লঙ্ঘন করা ভিডিওগুলোর ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে চিহ্নিত করে মুছে ফেলেছে। শুধু তা–ই নয়, ৯২ দশমিক ৭ শতাংশ ভিডিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে।

তবে পরবর্তীকালে যাচাই করার পর ২ লাখ ৫ হাজার ১টি ভিডিও আবার প্ল্যাটফর্মে ফেরত আনা হয়েছে।টিকটকের তথ্যমতে, বিশ্বজুড়ে একই সময়ে টিকটক মোট ১৮ কোটি ৮২ লাখ ৯৮ হাজার ১৪১টি ভিডিও মুছে ফেলেছে, যা প্ল্যাটফর্মটিতে আপলোড হওয়া মোট ভিডিওর প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন