মাত্র সাত বছরের শিশু হৃদয়। নওগাঁর ভাণ্ডারপুর গ্রামে প্রথম যখন তাকে দেখি, তখন বুঝিনি যে কিছুক্ষণের মধ্যেই সে হয়ে উঠবে একটি কৃত্যানুষ্ঠানের কেন্দ্রীয় চরিত্র। কয়েকজন তার কোমরে লাল শাড়ি পেঁচিয়ে দিলেন, মুখে মাখালেন সিঁদুর, গলায় পরালেন রুদ্রাক্ষের মালা। সানাইয়ের সুর, ঢাক-কাঁসরের তীব্র বাদন আর ধূপের ধোঁয়ার মধ্যে হৃদয় নাচতে শুরু করল। হাতে মহিষের শিং ও লাঠি।
একবার বুড়াকালী মন্দিরের মুখাগুলোর সামনে, আরেকবার সমবেত মানুষের মধ্যে ছুটে এসে নাচছে। তাকে ঘিরে জেগে উঠেছে মন্দির প্রাঙ্গণ।হৃদয় ডোম সম্প্রদায়ের সন্তান। স্থানীয় তান্ত্রিক কৃত্যাচারে ডোমের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে; সেই উত্তরাধিকার নিয়েই তার অংশগ্রহণ। কিছুক্ষণ আগের সাধারণ গ্রাম্য বালকটি এখন ভক্তদের মনোযোগের কেন্দ্রে।
তার নাচ দেখতে দেখতে ভাবি, প্রাচীন সাধনসংস্কৃতি কী আশ্চর্যভাবে নতুন প্রজন্মের শরীরে আশ্রয় নেয়!চর্যাপদের গীতধারার পুনর্জাগরণের কাজে প্রায়ই পাহাড়পুর যাই।
সূত্র: প্রথম আলো

আবুল খায়ের স্টিলের কারখানায় জার্মানির ভাইস মিনিস্টার
বাংলাদেশে রাজনীতির মাঠ যেন একটা বক্সিং রিং
ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত নওগাঁর পাঁচজনের মরদেহ আসছে শনিবার
মৃত ও প্রবাসীদের দেখিয়েছেন শ্রমিক, ভুয়া ভাউচারে আত্মসাৎ ৫৫ প্রকল্পের টাকা
বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু: বন্ধু দীপ হেফাজতে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন