advertisement

বঙ্গভবন ঘুরে দেখার সুযোগ শিক্ষার্থীদের, থাকছে দেড় ঘণ্টার ভ্রমণ

বঙ্গভবন ঘুরে দেখার সুযোগ শিক্ষার্থীদের, থাকছে দেড় ঘণ্টার ভ্রমণ
রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন
ফটো কার্ড প্রিন্ট

তৃতীয় থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বঙ্গভবন ঘুরে দেখার সুযোগ পেতে যাচ্ছে। নবীন প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাস, সাংবিধানিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এ লক্ষ্যে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় কর্তৃক ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের বঙ্গভবন ভ্রমণসংক্রান্ত নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।নিউজিল্যান্ড শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চার পরিবর্তনমাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম তৌহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় এই নীতিমালা সারা দেশের মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও সুপারকে অবহিত করা হয়েছে। বঙ্গভবন পরিদর্শনের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণের অনুরোধ করা হয় এই নির্দেশনায়।

গতকাল বুধবার (৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের বঙ্গভবন ভ্রমণসংক্রান্ত নীতিমালা ২০২৬’ সূত্র উল্লেখ করে শিক্ষা বোর্ড এ নির্দেশনা জারি করেছে।বঙ্গভবন ভ্রমণ নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট বঙ্গভবন পরিদর্শনের সময় পাবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা বাংলাদেশের শিক্ষক থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী, আমার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শিক্ষক থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী, আমার অভিজ্ঞতা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর নাছির আহমাদ, চার দপ্তরের পরিচালকের রদবদল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রক্টর নাছির আহমাদ, চার দপ্তরের পরিচালকের রদবদল অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি স্নাতকেরা চাকরি পেতে কেন ভোগান্তিতে অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি স্নাতকেরা চাকরি পেতে কেন ভোগান্তিতে
advertisement

বিনা রক্তপাতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘রেজিম চেঞ্জ’

বিনা রক্তপাতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘রেজিম চেঞ্জ’
নির্বাচনে জয়ের পর স্ত্রীর সঙ্গে মিশিগানের নবনির্বাচিত সিনেটর আবদুল আল–সাইদ। ৪ নভেম্বর ২০২৬, মিশিগান

ইরানের সরকার পতনের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনবরত কামান দেগে গেছেন। বোমাবাজিতে কয়েক হাজার বেসামরিক মানুষ মারা হলো। হাজার দশেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করা হলো। ‘সব বোমার মা’, এমন এক মারণাস্ত্র ব্যবহারের হুমকিও দেওয়া হলো। কিন্তু আট মাস পরও ইরানের সরকার বহাল তবিয়তে রয়েছে। অথচ গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা কোনো বোমা না ফেলে, একটি গুলি না ছুড়েই বিনা রক্তপাতে নিজের দেশে একধরনের ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটিয়ে দিলেন।

ট্রাম্পকে তাঁরা প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরাননি, তবে কংগ্রেসের দুই কক্ষের নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নিয়ে তাঁর একচ্ছত্র ক্ষমতায় লাগাম পরিয়েছেন। ট্রাম্প নিজেই সমর্থকদের বলেছিলেন, ব্যালটে তাঁর নাম না থাকলেও তাঁরা যেন ধরে নেন তাঁর নাম রয়েছে। ভোটাররা যেন তাঁর সেই কথাই রেখেছেন, ভোটের রায় দিয়েছেন ট্রাম্প ও ট্রাম্পবাদের বিরুদ্ধে।

অনেকের ভাষায়, এটি শুধু নীল বা ডেমোক্রেটিক ঢেউ নয়, রীতিমতো সুনামি।গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ভোটাররা কোনো বোমা না ফেলে, একটি গুলি না ছুড়েই বিনা রক্তপাতে নিজের দেশে একধরনের ‘রেজিম চেঞ্জ’ ঘটিয়ে দিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

রোনালদো থাকবেন ওখানেই

রোনালদো থাকবেন ওখানেই
পর্তুগালকে বিদায় বলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

২৩ বছরের আনন্দ–বেদনা, হাসি–কান্না, প্রাপ্তি–অপ্রাপ্তি সবকিছু সমাপ্তির ঘোষণা কিনা মিনিট পাঁচেকের এক ভিডিওতে! পরনে সব কটি বোতাম লাগানো অফ হোয়াইট রঙের টি–শার্ট, হাতে কয়েকটি কাগজ—সোফায় বসে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কী বলবেন, তা ওই কাগজেই লিখে নিয়েছিলেন। পড়ে শোনালেন সেটিই।

যেটির সারকথা, পর্তুগালের জার্সি গায়ে আর দেখা যাবে না তাঁকে।বাংলাদেশ সময় গতকাল বিকেল ৪টা ২১ মিনিটে পোস্ট করা হয়েছে ওই ভিডিও, যাতে পর্তুগালকে নিয়ে তাঁর আবেগের কথা আছে। রোনালদোর ‘ডিএনএ’ হয়ে ওঠা সেরা হওয়ার ওই তাড়নার কথা। আছে আরও অনেক কিছুই...। নিজেই লিখে থাকুন, বা তাঁর মুখে শুনে অন্য কেউ—কথাগুলো দারুণ। দেখে দেখে পড়ে গেলেন রোনালদো, মুখে মৃদু হাসিও কি ফুটে উঠল দু–একবার!ফুটবল মাঠে রোনালদোকে কাঁদতে দেখা গেছে অনেকবারই।

আন্তর্জাতিক অভিষেকের পরের বছরই, ২০০৪ ইউরো ফাইনালে গ্রিসের কাছে হারার পর কেঁদে ভাসিয়েছিলেন তখনো কিশোর রোনালদো।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মৌখিক সভ্যতার প্রত্যাবর্তন

মৌখিক সভ্যতার প্রত্যাবর্তন
অলংকরণ: আনিসুজ্জামান সোহেল

মানুষের সভ্যতাকে বদলে দিয়েছিল লেখার আবিষ্কার, বই ও পাঠের বিস্তার। অথচ ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগে মানুষ ক্রমেই বই থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, ফিরছে শোনা ও দেখার জগতে। এই প্রত্যাবর্তন কি নতুন এক মৌখিক সভ্যতার সূচনা, যার অভিঘাতে বদলে যাবে সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও মানুষের চিন্তার ধরন?আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরিতে নাকি সাত লাখ বই ছিল। বই না বলে প্যাপিরাসের স্ক্রল বললে সঠিক বলা হবে।

প্লেটো–অ্যারিস্টটল থেকে শুরু করে সব গ্রিক মহারথীর বইপত্র ছিল সেখানে। সে এক সুবিশাল রত্নভান্ডার। সেই লাইব্রেরি হারিয়ে গেছে পরবর্তী ৪০০ বছরের মধ্যে। আর হারিয়ে গিয়ে এক দীর্ঘ অন্ধকার যুগ নেমে এসেছে ইউরোপে।এত দিন মনে করা হতো প্রাচীন আমলের যুদ্ধবিগ্রহের বলি হয়ে ওই লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে। তবে এখনকার ইতিহাসবিদদের কেউ কেউ বলছেন, যুদ্ধ নয়, আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরি ধ্বংস হয়েছে অবহেলায়। মানুষের অবহেলা।

পরবর্তী যুগে বইপত্রের কদর কমে গিয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন