advertisement

রাধারমণ দত্তের প্রয়াণদিবসের অনুষ্ঠান কবরস্থানের পাশে না করতে ইউএনওকে চিঠি

রাধারমণ দত্তের প্রয়াণদিবসের অনুষ্ঠান কবরস্থানের পাশে না করতে ইউএনওকে চিঠি
রাধারমণ দত্ত
ফটো কার্ড প্রিন্ট

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ধামাইল গানের প্রবর্তক রাধারমণ দত্তের প্রয়াণদিবসের অনুষ্ঠান এলাকার কবরস্থানের পাশে না করতে আবেদন করেছেন স্থানীয় ‘কেশবপুর ইসলামিক অর্গানাইজেশন’ নামের একটি সংগঠনের সদস্যরা। গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে এ বিষয়ে তাঁরা চিঠি দেন। ওই চিঠিতে তাঁরা গান-বাজনাকে অনৈসলামিক বলে উল্লেখ করে অনুষ্ঠান বন্ধের দাবি করেছেন।

বৈষ্ণবকবি রাধারমণ দত্তের সমাধিস্থল–সংলগ্ন এলাকায় গানবাজনা বন্ধের দাবির কথাও আবেদনে বলা হয়েছে।উপজেলার কেশবপুর গ্রামে রাধারমণ দত্তের সমাধিস্থল। বিগত সময়ে গ্রামের বাজারের পাশের খোলা মাঠে তাঁর প্রয়াণদিবস উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে।তবে এই আবেদনের সঙ্গে রাধারমণ দত্তের প্রয়াণদিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন ইউএনও ইসলাম উদ্দীন।

আজ বুধবার রাত আটটায় মুঠোফোনে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিবছর ৯ ও ১০ নভেম্বর রাধারমণ দত্তের প্রয়াণদিবসের অনুষ্ঠান হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

পর্যটক বাড়ছে, সেন্ট মার্টিন ঝুঁকিতে পর্যটক বাড়ছে, সেন্ট মার্টিন ঝুঁকিতে ডেঙ্গু জ্বর হলে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া নিষেধ কেন ডেঙ্গু জ্বর হলে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া নিষেধ কেন বৃষ্টি উপেক্ষা করে টোকিওতে তারকার মেলা, কী হচ্ছে উৎসবে বৃষ্টি উপেক্ষা করে টোকিওতে তারকার মেলা, কী হচ্ছে উৎসবে ধানখেতের বাসিন্দা খলশে মাছ কোথায় গেল ধানখেতের বাসিন্দা খলশে মাছ কোথায় গেল মা-বাবাকে নামাজের দাওয়াত যেভাবে দেবেন মা-বাবাকে নামাজের দাওয়াত যেভাবে দেবেন
advertisement

পর্যটক বাড়ছে, সেন্ট মার্টিন ঝুঁকিতে

পর্যটক বাড়ছে, সেন্ট মার্টিন ঝুঁকিতে
নয়নাভিরাম সেন্ট মার্টিন। প্রতিবেশ–সংকটাপন্ন এই এলাকায় অতিরিক্ত পর্যটকের উপস্থিতি প্রাণপ্রকৃতিতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে

প্রাণপ্রকৃতি রক্ষায় সেন্ট মার্টিনে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার পর্যটক যাওয়ার সীমা ছিল। এবার তা বাড়িয়ে সাড়ে তিন হাজার করেছে সরকার। রাতযাপনের সুযোগও দুই মাস থেকে বাড়িয়ে সাড়ে চার মাস করা হয়েছে। কিন্তু দ্বীপের পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রাণপ্রকৃতি বাড়তি চাপ কতটা নিতে পারবে, তা নির্ধারণে হালনাগাদ বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।সেন্ট মার্টিন প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা।

পর্যটক বাড়লে সুপেয় পানির চাহিদার পাশাপাশি বাড়বে পয়োবর্জ্য, আবর্জনা ও সৈকতে মানুষের আনাগোনা। এসব চাপ বিবেচনায় নিয়ে নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশকর্মীরা। তাঁদের মতে, আগের দুই হাজার পর্যটকের চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থাই দ্বীপে গড়ে ওঠেনি।

সেখানে আরও দেড় হাজার পর্যটক বাড়ানো হলে প্রাণপ্রকৃতি নতুন ঝুঁকিতে পড়বে।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটকেরা যেতে পারবেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ডেঙ্গু জ্বর হলে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া নিষেধ কেন

ডেঙ্গু জ্বর হলে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া নিষেধ কেন
যে ওষুধ সাধারণ সময়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, ডেঙ্গুর সময় সেটিই কেন বিপদের কারণ হতে পারে?

শরীরের প্রতিটি জোড়ায় তীব্র ব্যথা, যেন হাড়গুলো সব ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে! মাথা ভারী, চোখের পেছনে টনটনানি, পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণা। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত অনেকেই এমন অভিজ্ঞতার কথা বলেন। এ কারণেই ডেঙ্গুকে একসময় ব্রেকবোন ফিভার বা হাড়ভাঙা জ্বরও বলা হতো।এমন যন্ত্রণায় কাবু হলে হাতের কাছে থাকা ব্যথানাশক বড়ি খেতে ইচ্ছে করতেই পারে। কিন্তু ডেঙ্গু সন্দেহ হলে নিজের ইচ্ছায় ব্যথানাশক খাওয়া বিপজ্জনক।

আইবুপ্রোফেন, নাপ্রোক্সেন, ডাইক্লোফেনাক ও অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ডেঙ্গু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা না করে, সন্দেহ হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু কেন?

যে ওষুধ সাধারণ সময়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, ডেঙ্গুর সময় সেটিই কেন বিপদের কারণ হতে পারে?এর উত্তর বুঝতে হলে জানতে হবে রক্তের অতি ক্ষুদ্র অণুচক্রিকা কীভাবে কাজ করে, আমাদের কোষে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধব্যবস্থা কী ভূমিকা রাখে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বৃষ্টি উপেক্ষা করে টোকিওতে তারকার মেলা, কী হচ্ছে উৎসবে

বৃষ্টি উপেক্ষা করে টোকিওতে তারকার মেলা, কী হচ্ছে উৎসবে
লালগালিচায় ছাতা মাথায় ‘সুকিয়াকি’ চলচ্চিত্রের ওকাদা জুনইচি এবং সেইনো নানা। ছবি: টিফের সৌজন্যে

শরতের কয়েকটি ঝলমলে দিনের পর টাইফুনের প্রভাবে গত সপ্তাহান্তে টোকিওতে ফিরে এসেছিল টানা বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির মধ্যেই গত সোমবার সন্ধ্যায় শুরু হয় ৩৯তম টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। বৃষ্টিভেজা লালগালিচা, তারকাদের উপস্থিতি আর চলচ্চিত্রপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসে জমে ওঠে উদ্বোধনী আয়োজন। পরদিন মঙ্গলবার থেকে পুরোদমে শুরু হয় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। বুধবার আকাশে রোদও ফিরেছে।

টোকিওর হিবিয়া, ইউরাকুচো, মারুনৌচি ও গিনজা এলাকায় এখন চলচ্চিত্রের উৎসবমুখর পরিবেশ।আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। বিশ্বের নানা প্রান্তের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে জাপানের রাজধানী।

চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, নতুন প্রতিভার বিকাশ ও জাপানি চলচ্চিত্রের বিশ্ববাজার সম্প্রসারণের বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে এবারের আয়োজনে।বৃষ্টিভেজা লালগালিচায় তারকারা উৎসবের প্রথম দিন টোকিও মিডটাউন হিবিয়ার স্টেপ স্কয়ারে ছিল লালগালিচার আয়োজন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন