advertisement

ট্রাম্পের সমর্থন ও যুদ্ধে নেতৃত্ব—এ দুইয়ে ভর করে টিকতে চাইছেন নেতানিয়াহু

ট্রাম্পের সমর্থন ও যুদ্ধে নেতৃত্ব—এ দুইয়ে ভর করে টিকতে চাইছেন নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
ফটো কার্ড প্রিন্ট

ইসরায়েলে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সামনে অগ্নিপরীক্ষা আজ। দেশটির পার্লামেন্ট নেসেটের নির্বাচনে আজ মঙ্গলবার ভোট দেবেন ইসরায়েলিরা। ভাগ্য নির্ধারিত হবে ডানপন্থী নেতানিয়াহুর। হয় তিনি ইরান এবং ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধ এগিয়ে নিতে টিকে যাবেন, নয়তো ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবেন।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস।

ওই দিনই গাজায় সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করেন নেতানিয়াহু। এরপর নেতানিয়াহুর হাত ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়েছে ইসরায়েল। এ দুটি যুদ্ধ দেশে–বিদেশে নেতানিয়াহুকে যেমন চরম সমালোচিত করেছে, তেমনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ইসরায়েলকে কার্যত একা করে দিয়েছে। গাজা ও ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর আজ ইসরায়েলে প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন হতে যাচ্ছে। তাই নেতানিয়াহুর ওপর চাপও প্রবল। দুই দশক ইসরায়েল শাসনের অভিজ্ঞতা আছে তাঁর।

ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী রাজনীতি করেছেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

আরব দলগুলোর রেকর্ড সাফল্যের পর ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর দলের আরব দলগুলোর রেকর্ড সাফল্যের পর ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর দলের বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ আরব দলগুলোর চমক, তৈরি হতে পারে নেতানিয়াহুর বিদায়ের পথ নেতানিয়াহুকে সরাতে আরবদের জোটে আসার আহ্বান নেতানিয়াহুকে সরাতে আরবদের জোটে আসার আহ্বান
advertisement

পর্যটক বাড়ছে, সেন্ট মার্টিন ঝুঁকিতে

পর্যটক বাড়ছে, সেন্ট মার্টিন ঝুঁকিতে
নয়নাভিরাম সেন্ট মার্টিন। প্রতিবেশ–সংকটাপন্ন এই এলাকায় অতিরিক্ত পর্যটকের উপস্থিতি প্রাণপ্রকৃতিতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে

প্রাণপ্রকৃতি রক্ষায় সেন্ট মার্টিনে প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার পর্যটক যাওয়ার সীমা ছিল। এবার তা বাড়িয়ে সাড়ে তিন হাজার করেছে সরকার। রাতযাপনের সুযোগও দুই মাস থেকে বাড়িয়ে সাড়ে চার মাস করা হয়েছে। কিন্তু দ্বীপের পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও প্রাণপ্রকৃতি বাড়তি চাপ কতটা নিতে পারবে, তা নির্ধারণে হালনাগাদ বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা হয়েছে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে।সেন্ট মার্টিন প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা।

পর্যটক বাড়লে সুপেয় পানির চাহিদার পাশাপাশি বাড়বে পয়োবর্জ্য, আবর্জনা ও সৈকতে মানুষের আনাগোনা। এসব চাপ বিবেচনায় নিয়ে নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশকর্মীরা। তাঁদের মতে, আগের দুই হাজার পর্যটকের চাপ সামলানোর মতো পর্যাপ্ত ব্যবস্থাই দ্বীপে গড়ে ওঠেনি।

সেখানে আরও দেড় হাজার পর্যটক বাড়ানো হলে প্রাণপ্রকৃতি নতুন ঝুঁকিতে পড়বে।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্ট মার্টিনে পর্যটকেরা যেতে পারবেন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ডেঙ্গু জ্বর হলে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া নিষেধ কেন

ডেঙ্গু জ্বর হলে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া নিষেধ কেন
যে ওষুধ সাধারণ সময়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, ডেঙ্গুর সময় সেটিই কেন বিপদের কারণ হতে পারে?

শরীরের প্রতিটি জোড়ায় তীব্র ব্যথা, যেন হাড়গুলো সব ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যাচ্ছে! মাথা ভারী, চোখের পেছনে টনটনানি, পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণা। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত অনেকেই এমন অভিজ্ঞতার কথা বলেন। এ কারণেই ডেঙ্গুকে একসময় ব্রেকবোন ফিভার বা হাড়ভাঙা জ্বরও বলা হতো।এমন যন্ত্রণায় কাবু হলে হাতের কাছে থাকা ব্যথানাশক বড়ি খেতে ইচ্ছে করতেই পারে। কিন্তু ডেঙ্গু সন্দেহ হলে নিজের ইচ্ছায় ব্যথানাশক খাওয়া বিপজ্জনক।

আইবুপ্রোফেন, নাপ্রোক্সেন, ডাইক্লোফেনাক ও অ্যাসপিরিনের মতো ওষুধ রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ডেঙ্গু নিশ্চিত হওয়ার অপেক্ষা না করে, সন্দেহ হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব ওষুধ এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু কেন?

যে ওষুধ সাধারণ সময়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, ডেঙ্গুর সময় সেটিই কেন বিপদের কারণ হতে পারে?এর উত্তর বুঝতে হলে জানতে হবে রক্তের অতি ক্ষুদ্র অণুচক্রিকা কীভাবে কাজ করে, আমাদের কোষে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধব্যবস্থা কী ভূমিকা রাখে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বৃষ্টি উপেক্ষা করে টোকিওতে তারকার মেলা, কী হচ্ছে উৎসবে

বৃষ্টি উপেক্ষা করে টোকিওতে তারকার মেলা, কী হচ্ছে উৎসবে
লালগালিচায় ছাতা মাথায় ‘সুকিয়াকি’ চলচ্চিত্রের ওকাদা জুনইচি এবং সেইনো নানা। ছবি: টিফের সৌজন্যে

শরতের কয়েকটি ঝলমলে দিনের পর টাইফুনের প্রভাবে গত সপ্তাহান্তে টোকিওতে ফিরে এসেছিল টানা বৃষ্টি। সেই বৃষ্টির মধ্যেই গত সোমবার সন্ধ্যায় শুরু হয় ৩৯তম টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। বৃষ্টিভেজা লালগালিচা, তারকাদের উপস্থিতি আর চলচ্চিত্রপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসে জমে ওঠে উদ্বোধনী আয়োজন। পরদিন মঙ্গলবার থেকে পুরোদমে শুরু হয় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। বুধবার আকাশে রোদও ফিরেছে।

টোকিওর হিবিয়া, ইউরাকুচো, মারুনৌচি ও গিনজা এলাকায় এখন চলচ্চিত্রের উৎসবমুখর পরিবেশ।আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই উৎসব। বিশ্বের নানা প্রান্তের নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে জাপানের রাজধানী।

চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, নতুন প্রতিভার বিকাশ ও জাপানি চলচ্চিত্রের বিশ্ববাজার সম্প্রসারণের বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে এবারের আয়োজনে।বৃষ্টিভেজা লালগালিচায় তারকারা উৎসবের প্রথম দিন টোকিও মিডটাউন হিবিয়ার স্টেপ স্কয়ারে ছিল লালগালিচার আয়োজন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন