অতি সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর জানিয়েছেন, ব্যাংকিং খাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আগামী পাঁচ থেকে আট বছরে জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। তিনি অবলীলায় স্বীকার করেন যে তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার পর দেখা গেছে, ব্যাংকের তিন ভাগের এক ভাগ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে কিছু লোক। তিনি এটাকে ঠিক চুরি বলতে চান না, এটাকে লুট বলাই সংগত বলে মনে করেন বরং।
এভাবে ব্যাংকের টাকা লুট থেকেই আর্থিক খাতের সমস্যার শুরু, আর এটিকেই আমাদের ব্যাংকিং খাতের অন্যতম প্রধান সমস্যা বলে যথার্থভাবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। আমাদের ব্যাংকগুলোর বিশ্ব রেকর্ড করা খেলাপি ঋণের আড়ালে একটা বিশাল অঙ্ক যে লুটপাটের কারণে ঘটেছে, এই সত্যটি প্রকাশ করে প্রকৃত অভিভাবকের পরিচয় দিয়েছেন মাননীয় গভর্নর। কারণ, ব্যাংক থেকে লুণ্ঠিত অর্থকে খেলাপি ঋণের ছদ্মাবরণে লুকিয়ে রাখার কোনো সুযোগ নেই।
এই লুণ্ঠন ঘটেছে ব্যাংকিং নিয়মাচারের ব্যাপক লঙ্ঘন এবং বেনামি কিংবা অস্তিত্বহীন গ্রাহকের নামে ঋণ বিতরণের মাধ্যমে।
সূত্র: প্রথম আলো