অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পেছনে শুধু পুঁজি, প্রযুক্তি বা নীতি নয়; মানুষের বয়সও গুরুত্বপূর্ণ। কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা যখন শিশু ও প্রবীণ নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর তুলনায় বেশি থাকে, তখন উৎপাদন, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। অর্থনীতিতে একে বলা হয় ‘জনমিতিক লভ্যাংশ’।চীন একসময় এই সুবিধা কাজে লাগিয়ে শিল্পায়ন ও প্রবৃদ্ধির পালে হাওয়া লাগিয়েছিল। কিন্তু এখন দেশটির জনসংখ্যার কাঠামো বদলে যাচ্ছে।
এই প্রথম শিশুদের তুলনায় প্রবীণ মানুষ বেশি হয়ে গেছে। ফলে যে জনমিতিক সুবিধা একসময় চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি ছিল, তা এখন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। খবর বিবিসি।কর্মক্ষম মানুষ কমে যাওয়ার অর্থ হলো, পেনশনভোগী বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবায় খরচ বৃদ্ধি ও পরিবারের সক্ষমতার ওপর চাপ সৃষ্টি হওয়া।
এসব কারণে প্রশ্ন উঠেছে, জনমিতিক সুবিধা কমে আসার পর চীন কীভাবে প্রবৃদ্ধির গতি ধরে রাখবে।চীনের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কর্মক্ষম প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী মানুষের অনুপাত ছিল ২৩ শতাংশ।
সূত্র: প্রথম আলো