সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

শেয়ারবাজারে ঋণ করে বিনিয়োগ করলে লাভ কতটা, ঝুঁকি কেমন

শেয়ারবাজারে ঋণ করে বিনিয়োগ করলে লাভ কতটা, ঝুঁকি কেমন
শেয়ারবাজার
ফটো কার্ড প্রিন্ট

শেয়ারবাজারের অপর নাম পুঁজিবাজার। পুঁজি মানে হচ্ছে আপনার নিজের মূলধন। আপনার কাছে যদি দৈনন্দিন বা মাসের খরচ চালানোর পর বাড়তি অর্থ জমা থাকে সেটিই আপনার পুঁজি বা বিনিয়োগযোগ্য উদ্বৃত্ত অর্থ। যে অর্থ থেকে আপনি ঝুঁকি নিয়ে বাড়তি মুনাফার আশায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলেও আপনার ব্যক্তি জীবনের প্রয়োজনে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না।আপনি নিশ্চয় নিতান্ত বাধ্য না হলে ঋণ করে সংসার চালান না বা ঋণ করে ব্যাংকে টাকা জমান না।

যদি সেটি না করেন তাহলে শেয়ারবাজারে কেন ঋণ করে বিনিয়োগ করবেন?ঋণ করলে সেই ঋণের বিপরীতে আপনাকে সুদ গুনতে হবে। সেই সুদের টাকা আসবে কোথা থেকে। আপনি তো শেয়ারবাজারে এসেছেন বাড়তি কিছু আয় বা মুনাফার আশায়। এখন সেই মুনাফা যদি ঋণের সুদ পরিশোধে খরচ হয়ে যায়, তাহলে ওই বিনিয়োগ আপনার জন্য কতটা লাভজনক?

প্রশ্নটি নিজেকে করুন, সেই হিসাব মেলান।শেয়ারবাজারে ঝুঁকি নিয়ে বিনিয়োগ করলে বাড়তি লাভের সম্ভাবনা যেমন আছে, তেমনি পুঁজি হারানোর আশঙ্কাও আছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

পাহাড়ের কোলে নবান্নের আমেজ পাহাড়ের কোলে নবান্নের আমেজ মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা কিছু গল্প খবরের পাতায় শেষ হয় না কিছু গল্প খবরের পাতায় শেষ হয় না চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য কতটা নিরাপদ চ্যাটজিপিটির সঙ্গে কথোপকথনের তথ্য কতটা নিরাপদ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, চাপে ট্রাম্প সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ডেমোক্র্যাটদের হাতে, চাপে ট্রাম্প
advertisement

পৃথিবীর চেয়েও বাসযোগ্য গ্রহ আছে মহাবিশ্বে? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

পৃথিবীর চেয়েও বাসযোগ্য গ্রহ আছে মহাবিশ্বে? কী বলছেন বিজ্ঞানীরা

পৃথিবীর বাইরেও কি এমন গ্রহ আছে, যেখানে প্রাণের বিকাশের সুযোগ আমাদের গ্রহের চেয়েও বেশি? বিজ্ঞানীরা খুঁজছেন ‘সুপারহ্যাবিটেবল’ বা অতিবাসযোগ্য গ্রহ। কেন পৃথিবীর চেয়েও বাসযোগ্য হতে পারে এসব গ্রহ, আর কীভাবে খুঁজবেন বিজ্ঞানীরা? বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

পাহাড়ের কোলে নবান্নের আমেজ

পাহাড়ের কোলে নবান্নের আমেজ
বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধানের সবুজ-সোনালি বিছানা

সীমান্তঘেঁষা সিলেটের পাহাড়ের পাদদেশে বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে পাকতে শুরু করেছে আমন ধান। সবুজ ধানখেতে উঁকি দিচ্ছে সোনালি শিষ, কোথাও কোথাও শুরু হয়েছে ফসল কাটা। হেমন্তের হালকা কুয়াশা আর বিকেলের নরম আলোয় পাহাড়, ধানখেত ও পায়রার ওড়াউড়িতে ফুটে উঠেছে গ্রামবাংলার চিরচেনা সৌন্দর্য। মাঠে মাঠে ধান পাকার সঙ্গে কৃষকের ঘরে ঘরে বাড়ছে নতুন ফসল ঘরে তোলার ব্যস্ততা ও আনন্দ। সেই সঙ্গে দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন ধানের উৎসব নবান্ন।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দয়ারবাজার, রাধানগর ও বরমসিদ্দিপুর এলাকা থেকে ছবিগুলো তোলা।বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে আমন ধানের সবুজ-সোনালি বিছানাসবুজ পাহাড়ের কোলে পাকতে শুরু করেছে আমন ধান ধানখেতের ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছে একঝাঁক পায়রাকোথাও কোথাও শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা পাহাড়, ধান কাটা আর পায়রার ওড়াউড়িতে ফুটে উঠেছে নবান্নের আগমনী বার্তা বাড়ির পাশের ধানখেত ঘিরে শিশুদের আনন্দ-উচ্ছ্বাসআমন ধানের খেতে নেমেছে হেমন্তের সোনালি বিকেল নবান্নের আগমনী আবহে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাসপাহাড়ের কোলে সোনালি ধানখেত, বিকেলে পড়েছে হালকা কুয়াশার চাদর ধানখেতের পাশে দোলনায় দুলছে এক শিশু

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা

মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা
বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা

মহাকাশে কোনো গ্রহের বায়ুমণ্ডলে কী কী গ্যাস আছে, সেখানে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা কতটুকু—এসব জানতে হলে বিজ্ঞানীদের প্রয়োজন বিশেষ ধরনের যন্ত্র। এমন উন্নত যন্ত্র তৈরির গবেষণায় কাজ করছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মাহমুদা সুলতানা। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারে কাজ করছেন তিনি।

ন্যানোটেকনোলজি ও সেন্সর প্রযুক্তি নিয়ে তাঁর গবেষণা ভবিষ্যতের মহাকাশ যাত্রা আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।মাহমুদা সুলতানার জন্ম পাবনা জেলার ঈশ্বরদী। ছোটবেলা থেকেই যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। বাবা ছিলেন সরকারের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। বাবার সঙ্গে বিভিন্ন প্রকৌশল প্রকল্পে গিয়ে যন্ত্রপাতি কীভাবে কাজ করে, তা দেখার সুযোগ হতো। এভাবেই প্রকৌশল ও বিজ্ঞানের প্রতি তাঁর আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর।

মাত্র ১৪ বছর বয়সে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় চলে যান তিনি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন