সাউথ বাংলা ২৪
advertisement

বিন্দুর আবর্তে

বিন্দুর আবর্তে
জলরংচিত্র: এআই/বন্ধুসভা
ফটো কার্ড প্রিন্ট

সকালে ঘুম ভাঙতেই সারা বাড়িতে একটা শোরগোল লেগে গেল। গভীর রাত পর্যন্ত আড্ডা দিয়ে ঘুমাতে যাওয়া অয়নের মেজাজ তখন চড়কগাছে।‘বড় মামির অভ্যাস কি কোনো দিন ঠিক হবে না!’ চরম বিরক্তিতে বিছানা ছেড়ে নিদ্রালস চোখে উঠোনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে অয়ন।সাত সকালে এত হইচইয়ের কারণ অন্বেষাকে নাকি কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না। ফোনে বারবার রিং হচ্ছে, কিন্তু রিসিভ করছে না। এতে মা, ছোট মামি আর মামাদের চেয়ে বড় মামির দুশ্চিন্তাই যেন বেশি।

অযাচিত বিষয়ে অপ্রয়োজনীয় বাড়াবাড়ি আর পুরো বাড়ি মাথা তোলা তার পুরোনো স্বভাব। যদিও বিষয়টা মোটেও অহেতুক নয়; তবে অয়ন জানে তার বোন কোথায়।মাঘের শীতের অলস প্রভাতে গ্রামের মেঠো পথ ধরে গন্তব্যহীন হেঁটে চলেছে অন্বেষা। গায়ে কেবল একখানি ধূসর শাল। কুয়াশা মাঠের বুকে এমনভাবে শুয়ে আছে, যেন পৃথিবী তার সমস্ত স্মৃতিকে শুভ্র কাফনে ঢেকে রেখেছে।

ঘাসের ডগায় জমে থাকা শিশিরবিন্দুগুলো মাড়িয়ে অন্বেষা দ্রুত হাঁটছে সীমান্তর হাত ধরে, প্রচণ্ড নির্ভার আর নিশ্চিন্তে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষ... এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই এআইতে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং কেন গুরুত্বপূর্ণ এআইতে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং কেন গুরুত্বপূর্ণ হ্যালোইন থিমে শানায়ার জন্মদিন: খুশি, সুহানা, অনন্যাদের নিয়ে ডাইনি সাজে কাটলেন কেক হ্যালোইন থিমে শানায়ার জন্মদিন: খুশি, সুহানা, অনন্যাদের নিয়ে ডাইনি সাজে কাটলেন কেক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয় শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অর্ধেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্তে চিঠি দেবে চিফ প্রসিকিউটর...
advertisement

চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার-আটক ১১৪৯

চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার-আটক ১১৪৯

কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৪৯ জনকে গ্রেফতার ও আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী

অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, অতীতে খাতা মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিংয়ের মতো অসংগতি ছিল, যা দূর করে মূল্যায়নে পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে। সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাশাপাশি ফেল করা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এক বা দুই বিষয়ে দ্রুত মানোন্নয়ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাবর্ষের সময় নষ্ট না হয়।গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানের উপযোগী করে গড়ে তুলতে এবং স্বজনপ্রীতি ও কৃত্রিমতা পরিহার করে মেধাভিত্তিক মূল্যায়নব্যবস্থা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

শিক্ষকদের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত রূপান্তরের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সব ধরনের স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই

এক মাঠে কারও শৈশব, কারও বেঁচে থাকার লড়াই
ছবি: মাহমুদুল হাসান খলিফা

ছবি: মাহমুদুল হাসান খলিফাছবি তোলার জন্য শহরের এদিক–ওদিক ঘুরে বেড়াই। মানুষের জীবন, জীবনের বৈচিত্র্য, আনন্দ–বেদনা আর প্রতিদিনের ছোট ছোট গল্পগুলো ক্যামেরায় ধরে রাখার চেষ্টা করি। সেদিনও ইচ্ছা হলো, গোলাপবাগ মাঠে গিয়ে শিশুদের খেলাধুলার কিছু ছবি তুলব। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। চলে গেলাম মাঠে। কয়েকটি ছবিও তুললাম। মাঠের চারপাশে হাঁটার জন্য তৈরি পথ ধরে হাঁটছিলাম, আর সুযোগ বুঝে ক্যামেরায় বন্দী করছিলাম মুহূর্তগুলো।

হঠাৎ একটা দৃশ্যে চোখ আটকে গেল।মাঠের পাশে একটি ছেলে বসে আছে। তার হাতে হাওয়াই মিঠাইয়ের গুচ্ছ। মাঠের ভেতরে সমবয়সী শিশুরা খেলছে, ছুটছে, হাসছে। আর ছেলেটি বসে বসে তাদের খেলা দেখছে। তার চোখের সামনে একটা মাঠ, কিছু শিশু আর একটুকরা শৈশব; যে শৈশবের অংশ হওয়ার ইচ্ছা হয়তো তারও আছে, কিন্তু সেই ইচ্ছার চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে জীবিকার তাগিদ। দৃশ্যটি দেখে কিছুক্ষণের জন্য থমকে দাঁড়ালাম।

তারপর ক্যামেরাটি হাতে তুলে ছেলেটির কয়েকটি ছবি নিলাম।তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তোমার খেলতে ইচ্ছা করে না?’ ছেলেটি উত্তর দিল, ‘খেললে খাব কী, স্যার?

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন