সরকারি-বেসরকারি খাতের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার সম্মতি, নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনা অনুসন্ধান করছে কোরীয় কোম্পানিগুলো...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
সরকারি-বেসরকারি খাতের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার সম্মতি, নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনা অনুসন্ধান করছে কোরীয় কোম্পানিগুলো...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৪৯ জনকে গ্রেফতার ও আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, অতীতে খাতা মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিংয়ের মতো অসংগতি ছিল, যা দূর করে মূল্যায়নে পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে। সম্প্রতি এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে।
পাশাপাশি ফেল করা শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এক বা দুই বিষয়ে দ্রুত মানোন্নয়ন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাবর্ষের সময় নষ্ট না হয়।গতকাল সোমবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমির (নায়েম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানের উপযোগী করে গড়ে তুলতে এবং স্বজনপ্রীতি ও কৃত্রিমতা পরিহার করে মেধাভিত্তিক মূল্যায়নব্যবস্থা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
শিক্ষকদের মানোন্নয়ন এবং শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত রূপান্তরের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সব ধরনের স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
ছবি: মাহমুদুল হাসান খলিফাছবি তোলার জন্য শহরের এদিক–ওদিক ঘুরে বেড়াই। মানুষের জীবন, জীবনের বৈচিত্র্য, আনন্দ–বেদনা আর প্রতিদিনের ছোট ছোট গল্পগুলো ক্যামেরায় ধরে রাখার চেষ্টা করি। সেদিনও ইচ্ছা হলো, গোলাপবাগ মাঠে গিয়ে শিশুদের খেলাধুলার কিছু ছবি তুলব। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ। চলে গেলাম মাঠে। কয়েকটি ছবিও তুললাম। মাঠের চারপাশে হাঁটার জন্য তৈরি পথ ধরে হাঁটছিলাম, আর সুযোগ বুঝে ক্যামেরায় বন্দী করছিলাম মুহূর্তগুলো।
হঠাৎ একটা দৃশ্যে চোখ আটকে গেল।মাঠের পাশে একটি ছেলে বসে আছে। তার হাতে হাওয়াই মিঠাইয়ের গুচ্ছ। মাঠের ভেতরে সমবয়সী শিশুরা খেলছে, ছুটছে, হাসছে। আর ছেলেটি বসে বসে তাদের খেলা দেখছে। তার চোখের সামনে একটা মাঠ, কিছু শিশু আর একটুকরা শৈশব; যে শৈশবের অংশ হওয়ার ইচ্ছা হয়তো তারও আছে, কিন্তু সেই ইচ্ছার চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে জীবিকার তাগিদ। দৃশ্যটি দেখে কিছুক্ষণের জন্য থমকে দাঁড়ালাম।
তারপর ক্যামেরাটি হাতে তুলে ছেলেটির কয়েকটি ছবি নিলাম।তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘তোমার খেলতে ইচ্ছা করে না?’ ছেলেটি উত্তর দিল, ‘খেললে খাব কী, স্যার?
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন