পোশাক খাতের চলমান শ্রমিক আন্দোলনের বহিরাগতদের উসকানি বা ইন্ধনের বিষয়ে সতর্ক সরকার। এই আন্দোলনকে কাজে লাগিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলটির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিছু পোশাকশিল্প মালিকেরা অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন বলে মনে করছে সরকার। এ জন্য দলটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পলাতক কিছু নেতার বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার পোশাকশিল্প মালিকদের সঙ্গে বৈঠকে এমনটাই জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সচিবালয়ে আজ সকালে মালিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আর বিকেলে বৈঠক করেন পোশাকশিল্পের শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই আন্দোলনে বহিরাগতদের অনুপ্রবেশ করানো হচ্ছে।
এ সময় পোশাকশিল্পের মালিকেরা বলেন, এ বিষয়ে কারও বিরুদ্ধে যদি সরকারের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।এদিকে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে আজ সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকার মিরপুর এলাকার প্রায় ছয় শতাধিক কারখানার কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সূত্র: প্রথম আলো

শ্রমিকের মজুরি আন্দোলনে ৬৮১ কারখানার উৎপাদন ব্যাহত
বিদেশি ঋণের খোঁজে ডলার নাকি পান্ডা বন্ড, কোন পথে সরকার
আলীবাবা থেকে বাংলাদেশি কোম্পানি স্টেপ ফুটওয়্যারের জুতা কিনতে পারবেন বিদেশি ব্যবসায়ীর...
আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো
গত ২০ বছরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জীবনমান ও মূল্যবৃদ্ধি একনজরে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন